বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:০১ পূর্বাহ্ন

ই-পেপার

শিরোনাম :
শিরোনাম :
গুরুদাসপুরে লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে সংবাদ সম্মেলন সলঙ্গা বিদ্রোহ দিবসে সলঙ্গাকে উপজেলা করনের দাবি বক্তাদের গোপালপুরে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন মানিকগঞ্জে ‘অনলাইন এন্ড মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স ইউনিটি’র সভাপতি সাইফুল্লাহ, সম্পাদক শাহীন স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সব রাজনৈতিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে: অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম পিন্টু নওগাঁ-৬ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মীকে মারধর ও নির্বাচনী ক্যাম্প ভাঙচুর চৌহালীতে একজন কর্মকর্তা দিয়ে চলছে উপজেলা প্রাইমারি এডুকেশন ট্রেনিং সেন্টার টাঙ্গাইলে বৃদ্ধ দম্পতিকে হত্যা, নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট

আটঘরিয়ায় পানি সংকটের কারনে পাট নিয়ে বিপাকে কৃষক

মাসুদ রানা, আটঘরিয়া(পাবনা)প্রতিনিধি:
আপডেট সময়: রবিবার, ১৭ জুলাই, ২০২২, ৪:৫০ অপরাহ্ণ

পাবনার আটঘরিয়ার কৃষকেরা পাট নিয়ে বিপাকে পড়েছে। পানির অভাবে পাট জাগ দিতে পারছেন না তারা। ভরা বর্ষা মৌসুমেও বুষ্টির দেখা নেই। এবার এউপজেলায় পাটের আবাদ হয়েছে ৫ হাজার ১শ ৬৫ হেক্টর জমিতে।
অধিকাংশ খাল,বিল, ডোবা এবং জলাশয়ে পানি নেই। যেটুকু পানি আছে তা পাট পচানোর জন্য যথেষ্ট নয়। ফলে পাট চাষিরা বৃষ্টির আশায় পাট কেটে জমিতে ফেলে রেখেছে।
 আবার কেউ গাড়িতে করে বিল এলাকায় নিয়ে জাগ দেওয়ার চেষ্টা করছেন। অনেকে আবার বাড়ি বা সড়কের পাশের ডোবা,খাল ও জলাশয়ের অল্প পানিতেই পাট পচানোর জন্য জাগ দিচ্ছেন। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় জমিতেই পাট শুকিয়ে যাচ্ছে। পাট আবাদের শুরুতে আগাম বন্যায় নিচু জমির কিছু পাট তলিয়ে নষ্ট হয়। এখন অনাবৃষ্টি আর টানা খরার কারণে পাট জাগ দেওয়ার পানি পাচ্ছেন না কৃষকেরা।
উপজেলার দেবোত্তর  ইউনিয়নের কৃষক জহুরুল ইসলাম  জানান, এ বছর তিনি ৬ বিঘা জমিতে পাট আবাদ করেছেন। ফলনও ভাল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু পানির অভাবে পাট জাগ দিতে পারছেন না।
 রবিউল ইসলাম ৩ বিঘা, মধু মোল্লা দেড় বিঘা, রফিক ৪ বিঘা, নুরুল ইসলাম ১ বিঘা,  জহুরুল, সেলিম,  রেজাউল,  জামাল এর  মতো উপজেলার অধিকাংশ পাট চাষির একই অবস্থা। গত বছর পাটের দাম বেশি পাওয়ায় চলতি বছর পাটের আবাদে ঝুঁকে পড়ে এ উপজেলার  কৃষকেরা।
উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌরসভা ঘুরে কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে,  মাঠে পানি না থাকায় পাট গাছ  মরে যাচ্ছে। এর কারনে আগেই আমাদের পাট কাটতে হচ্ছে। গতবার আমরা এই সময়ের মধ্যে পাট কাটতাম। তবে এবার শ্রমিক সংকট। শ্রমিকের মজুরি ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা।  তার পরেও এলাকাতে শ্রমিক  পাওয়া যায় না।
পাট আবাদ নির্বিঘ্নে  হলেও এখন পাট কাটা ও জাগ দেওয়া নিয়ে মহা ফাঁপড়ে পড়েছেন কৃষক।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সজীব আল মারুফ জানান,
চলতি মৌসুমে এ উপজেলায় ৫ হাজার ১৬৫ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। ফলনও ভালো হয়েছে। তবে যে বৃষ্টি হয়েছে তা পাট পচানোর জন্য যথেষ্ট নয়। বেশ কিছুদিনের খরা আর অনাবৃষ্টির কারণে পাট চাষিরা পড়েছেন দুশ্চিন্তায়।
তিনি বলেন,বিল অঞ্চলে পানি রয়েছে। কিন্তু উঁচু অঞ্চলে পানির সংকট। পর্যাপ্ত বৃষ্টি হলে এ সমস্যা দূর হবে বলে তিনি আশা করেন।

 

 

#CBALO / আপন ইসলাম


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর