যশোরের অভয়নগরে বাজার গুলাতে রমজানের শুরু থেকেই নিত্য প্রয়োজনীয় কাঁচামাল দ্বিগুণ মূল্যবৃদ্ধি।
সরবরাহের তুলনায় চাহিদা বেশি হওয়ার অজুহাতে রোজার শুরুতেই পাইকারি বাজারে ৩০ টাকার শসা ও বেগুন বিক্রি হয়েছে ৬৫ থেকে ৭৫ টাকায়।মরিচের দামও বাড়লো কেজিতে ২০ টাকা। পাইকারি বাজারের এই লাফ ঝাঁপের প্রভাবে খুচরা বাজার হয়েছে নিয়ন্ত্রণহীন, দিশেহারা বোবা কান্না সাধারণ ক্রেতাদের।
রমজানের আগে ৩০/৪০ টাকায় বিক্রি হওয়া শসা ও বেগুন রোজা শুরু হতেই বিক্রি হয়েছে ৭০/থেকে ৮০ টাকা প্রতি কেজি। রমজান শুরু হওয়াতে কলার চাহিদা বেড়েছে যে কলা ২০টাকা হালি বিক্রি হয়েছে। রমজান শুরু হওয়ার সাথে সাথে কলার মুল্যে দিগুন ৪০টাকা হালি ক্রেতারা চরম বিপাকে পড়েছে।
শসার পাশাপাশি কেজিতে কিছুটা বেড়েছে ছোলা, চিনি, চাল, খেজুর, মুরগি এবং গরু-ও খাসির মাংসের দাম, তবে মাছের দাম নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রয়েছে।
বাঙালির ইফতার আয়োজনের অন্যতম অনুসঙ্গ মুখরোচক খাবার ভাজাপোড়া । এ কারণে রোজা এলেই সব যায়গায় বেগুনের কদর বেড়ে যায় অনেকটা।
প্রতি বছর বাজারের ব্যবসায়ীরা সেই সুযোগ নিতে ভুলেন না।
রমজানে বেগুন নিয়ে নানান কারসাজি নতুন কিছু নয়। এবার ও তার ব্যতিক্রম হয়নি। চাহিদা বুঝেই একদিনের ব্যবধানে পাইকারি ও খুচরা বাজারে বেগুনের দাম দ্বিগুন।
রমজানের দুইদিন আগেও বেগুন প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে ৩০-৪০ টাকায়। আর এক সপ্তাহ আগে ছিল আরও কম।
বেগুনের পাশাপাশি কাঁচা মরিচেও। দুই রাতের ব্যবধানেই কেজি প্রতি বেড়েছে ২০/৩০ টাকা।
ব্যবসায়ীদের সেই পুরনো অজুহাত। চাহিদা বেশি, তাই দামও বেশি। নওয়াপাড়া বাজারের আড়ৎ ঘুরে সরবরাহের কোনই ঘাটতি দেখা যায় নাই।
বিক্রেতারা জানান, প্রতি রমজানে বেগুনের চাহিদা বেশি থাকে, তাই দামও বেশি পাওয়া যায়।
রমজান মাস জুড়ে বিকাল থেকে দোকানের সামনে টেবিল বসিয়ে বিক্রি হয় হরেক রকমের ইফতার সামগ্রী। এর মধ্যে বেগুনিও থাকবে।
দামের হেরফের ছিল লেবুতেও। শরবত খাওয়ার উপযোগী লেবু প্রতি হালি দেশি লেবু বিক্রি হচ্ছে ৬০/৭০ টাকা। এই দামে এর আগে মিলছে লেবু এক ডর্জন।
এখন এই দামের বেড়াজাল থেকে বেরিয়ে আসতে চাইছেন সাধারণ ক্রেতারা। সচেতন মহল বাজার নিয়ন্ত্রণে কতৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহন করার জন্য আসুহস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
#চলনবিলের আলো / আপন