শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:৩৩ পূর্বাহ্ন

ই-পেপার

শিরোনাম :
শিরোনাম :

ঠাকুরগাঁও রুহিয়ায় টাংগন নদীতে মাছ ধরা উৎসব

দুলাল হক,ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:
আপডেট সময়: শুক্রবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২১, ১১:৫৯ অপরাহ্ণ

ঠাকুরগাঁও পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন টাংগন ব্যারেজের গেট খুলে দেওয়ায় শুরু হয়েছে মাছ ধরা উৎসব।বিভিন্ন জেলা হতে আগত হাজার হাজার মাছ শিকারী এসেছেন কেউবা মাছ ধরতে আর কেউবা এসেছেন নদীর  মাছ কিনে নিয়ে যেতে।এ সময় মাছ শিকারী ও ক্রেতা বিক্রেতাদের মিলন মেলায় পরিনত হয়।ঠাকুরগাঁও শহর থেকে ২০ কিলোমিটার উত্তরে সদর উপজেলার রুহিয়া থানাধীন ১৪নং রাজাগাঁও ইউনিয়নের চাপাতি গ্রামে অবস্থিত  টাংগন ব্যারেজ।এটি মূলতঃ শুস্ক মওসুমে জমিতে সেচ প্রদানের সুবিধার্থে পানি উন্নয়ন বোর্ড নির্মান করে।প্রতি বছর ভরা মওসুমে মৎস্য বিভাগের আওতায় এখানকার প্লাবন ভ’মিতে  সরকারিভাবে মাছ অবমুক্ত করা হয়।৩ মাস পর মাছ বড় হলে ব্যারেজের গেট খুলে দেওয়া হয়।আর তারপর হতে শুরু হয়  মাছ ধরা উৎসব।এদিকে বুধবার রাতে প্রতি বছরের ন্যায় টাঙ্গন ব্যারেজের গেট খুলে দেওয়া হয় এবং সর্ব সাধারণের জন্য মাছ ধরার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। টাংগন
ব্যারেজের গেট খুলে দেওয়ায় সদর উপজেলার চাপাতি, আটোয়ারী উপজেলার সাতপাখি গ্রামের  বিস্তির্ন এলাকার পানি নেমে  গেলে কম পানিতে চলে  মাছ শিকারের মহোৎসব।ঠাকুরগাঁও পঞ্চগড় দিনাজপুর সহ নীলফামারী জেলার মাছ শিকারীরা এখানে এসে তাবু গেঁেড় করছে মাছ শিকার।সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত শিকারীরা দেশীয় তৈরী ফিকা ও লাফি জাল সহ বিভিন্ন বাহারী জাতের জাল দিয়ে  করছে মাছ শিকার ।এজন্য কেউবা কলাগাছের ভেলা তৈরী করে বিস্তির্ন এলাকায় মাছ শিকার করছে ।মাছ ধরা উৎসবে প্রতিদিন এখানে হাজার হাজার মানুষের সমাগম হচ্ছে।এ সমাগম চলবে আগামী রোববার  পর্যন্ত ।এদিকে শহরের চাইতে এখানকার মাছের দাম বেশি বলে জানালেন বেশিরভাগ ক্রেতা।তারা জানান,এখানে প্রতি কেজি টেংরা,গচি ,শিং ,টনা মাছ প্রতি কেজি ৩/৪শ  টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।আর শোল ও রুই কাতল মাছ  চাওয়া হচ্ছে ৪/৫শ টাকা।প্রতিকেজি পুটি মাছ ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা কেজি দরে।
একাধিক মাছ শিকারী জানান,এ বছর মাছের পরিমান কম।গতকাল বিকেল থেকে এখন পর্যন্ত মাছ ধরেছি মাত্র ২ কেজি।তাও বড় আকারের  মাছ ধরতে পারিনি।স্থানীয়রা কারেন্ট জাল ব্যবহার করে আগেই সব মাছ ধরে খেয়ে ফেলেছে।
উল্লেখ্য,১৯৯০ সালে ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড় জেলার ৪৪ দশমিক ৫০ হেক্টর জমিতে শুস্ক মৌসুমে গম, বোরো, সরিষা ও আলু সম্পুরক সেচ প্রদানের উদ্দেশ্যে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের অর্থায়নে ১৪ কোটি ৮২ লাখ ৭৭ হাজার টাকা ব্যয়ে পাউবো ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার চাপাতি গ্রামে টাংগন নদীর ওপর এই ব্যারেজ স্থাপন করে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর