শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:১৮ অপরাহ্ন

ই-পেপার

শিরোনাম :
শিরোনাম :
পারখিদিরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, নবীন বরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আটোয়ারী উপজেলার মাসিক সমন্বয় সভা ও আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত গোপালপুর ধানের শীষ প্রতীকের এজেন্টের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত টাঙ্গাইল-২ আসনে ৩৩টি ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ সন্ত্রাস-দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র গঠনে সাংবাদিকদের ভূমিকা অপরিসীম: অধ্যাপক গোলাম রসুল ফরিদপুরে নকল দুধ তৈরির কারখানায় ভ্রাম্যমাণ আদালত; ২ লাখ টাকা জরিমানা ও ২ জনের জেল আটঘরিয়ার পুস্তিগাছা বাজার সংলগ্ন পাকা  রাস্তা দখল করে ইটের রমরমা ব্যবসা লামায় অবৈধ ইটভাটায় প্রশাসনের অভিযান ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা

নান্দাইল হাসপাতালে ডাক্তার সংকট ॥ যন্ত্রপাতি চালানোর টেকনিশিয়ান নেই

ফরিদ মিয়া নান্দাইল ময়মনসিংহঃ
আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ২২ জুন, ২০২১, ৬:২৫ অপরাহ্ণ

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলা সদর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রয়োজনীয় জনবল সংকটের কারনে রোগীদের যথাযথ চিকিৎসা সেবা প্রদান সম্ভব হচ্ছেনা।
এছাড়া এক্সরে মেশিন সহ অন্যান্য চিকিৎসার সরঞ্জাম থাকার পরেও টেকনিশিয়ান না থাকায় তা চালু করা সম্ভব হচ্ছেনা বলে রোববার এই প্রতিনিধিকে জানিয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ মামুনুর রশীদ।
নান্দাইল হাসপাতালের জন্য অনুমোদিত ডাক্তারের পদ সংখ্যা ২১ জন। এর মাঝে ১০টি পদ শূন্য রয়েছে। তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী অনেক পদ শূন্য রয়েছে। ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে ডাক্তারদের স্টাফ কোয়ার্টারগুলো বসবাসের সম্পূর্ণ অনুপযুক্ত অবস্থায় রয়েছে। ৫০ কিলোমিটার দূরে জেলা সদর থেকে ডাক্তারগণ কর্মস্থলে এসে থাকেন। এতে করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা পাচ্ছেনা এখানকার জনগণ। ইউনিয়ন পর্যায়ে স্থাপিত ৫টি উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের অবস্থা খুবই করুন। যা প্রায় দিনই বন্ধ অবস্থায় থাকে। এছাড়া ডাক্তারদের উপস্থিতি নাই বললেই চলে। ৪০টি কমিউনিটি কিনিক চালু থাকলেও এতে কর্মরত সিএইচসিপি’দের উপস্থিতি ও প্রস্থান নিয়ে বিস্তর অভিযোগ রয়েছে।
সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত কমিউনিটি কিনিকগুলি খোলা রাখার সরকারি নির্দেশনা থাকলেও বাস্তবে তা করা হয় না। প্রতিদিন ইনডোরে ৭০/৮০জন রোগীর চিকিৎসা দেওয়া হয়। এছাড়া আউটডোরে ২/৩শত রোগীর চিকিৎসা দেওয়া হয়ে থাকে। একজন মাত্র ডেন্টাল সার্জন থাকায় এক্ষেত্রে রোগীদের অবর্ণনীয় দূর্ভোগ পোহাতে হয়। সাম্প্রতিককালে হাসপাতালটি ৫০ শয্যা থেকে ১০০ শয্যার জন্য প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে এবং ৩৫ কোটি টাকায় অবকাঠামো নির্মাণের জন্য টেন্ডার আহব্বান করা হয়েছে। হাসপাতালের বিদ্যুৎ সংযোগ লাইনটি অতি পুরাতন থাকায় নিয়মিত বিদ্যুত সরবরাহ সম্ভব হয় না। এছাড়া হাসপাতালের জন্য বিদ্যুতের যে লোড প্রয়োজন তা এই লাইনের মাধ্যমে সরবরাহ সম্ভব নয়। ফলে প্রায় সময়ই হাসপাতাল এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকে না। এতে রোগীদের সীমাহীন দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
সরজমিনে দেখা গেছে, হাসপাতালের মাঠে খোলা জায়গা ৩টি এ্যাম্বুলেন্স বছরের পর বছর পরে থাকায় সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে। উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা জানান, অকেজো এ্যাম্বুলেন্সগুলো নিলাম ডাকে বিক্রি করার জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি চাওয়া হয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য সেবা কমিটির সভাপতি সংসদ সদস্য মো. আনোয়ারুল আবেদীন খান তুহিন জানান, তিনি প্রতি মাসে স্বাস্থ্য সেবা কমিটির সভা করে এখানকার স্বাস্থ্য সেবার মান উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন। হাসপাতালটি ১০০ শয্যায় উন্নীতকরন করা হয়েছে। ডাক্তার সংকট সহ অন্যান্য বিষয়ে সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে। সকল শূন্য পদ পূরনের জন্য মাননীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রী ও স্বাস্থ্য সচিবকে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন নান্দাইল উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দ নান্দাইল হাসপাতালের ডাক্তার ও কর্মচারী সংকট দ্রুত নিরসনের জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। 

 

#চলনবিলের আলো / আপন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর