কক্সবাজার সদর উপজেলার ভারুয়াখালী ইউনিয়ন এর ঘোনার পাড়া এলাকার প্রবীণ শিক্ষক ভারুয়াখালী বাসিকে কাঁদিয়ে চলে গেলেন না ফেরার দেশে। মঙ্গলবার রাত ৭:৪৫ মিনিটে বার্ধক্য জনিত কারণে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন । বুধবার সকাল ১১:৩০ এর সময় ভারুয়াখালী ঘোনার পাড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের মাঠে হাজারো মুসল্লী জনশ্রুতে তার শেষ জানাজা আদায় করেন নির্দিষ্ট পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। মৃত্যুকালে স্ত্রী,৪ ছেলে ১মেয়ে গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।
তিনি তার কর্মজীবনে অসংখ্য গুনগ্রাহী , কৃতি ছাত্র বির্নিমানে কারিগরের ভূমিকায় ছিলেন। যার ষ গুণাগুণ বলতে গেলে বর্ণনায় শেষ করা যাবেনা। তিনি ব্যক্তি জীবনে সৎ,সরল এবং অত্যন্ত জনপ্রিয় শিক্ষক ছিলেন । মৃত্যুর আগ পর্যন্ত অসংখ্য মানুষের সেবায় নিয়োজিত ছিলেন । তিনি নির্লোভ সাদা মনের একজন মানুষ এবং সবসময় মানুষের হিতকর কাজের জন্যও প্রস্তুত ছিলেন।
ভারুয়াখালীর একজন প্রবীণ শিক্ষক যার শিক্ষায় উচ্চ শিক্ষিত হয়ে দেশের উচ্চতর মর্যাদাশীল স্থান পেয়েছে অসংখ্য ছাত্র ছাত্রী। তিনি মৃত্যুকাল পর্যন্ত শুধু শিক্ষক নয়, ভারুয়াখালীতে জ্ঞান প্রসারের ক্ষেত্রে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। ভারুয়াখালী ঘোনাপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কাল রৌশন দাখিল মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠায় তিনি প্রধান মুখ্য ভূমিকা পালন করেছিল। দুনিয়াবী জীবনের যিনি সব সময় শিক্ষার ক্ষেত্রে সবসময় উৎসাহ প্রদান করা তার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব বলে পালন করতেন। তার আরও একটি পরিচিতি রয়েছে তিনি ভারুয়াখালী সিরাত ও তাফসির মাহফিল প্রথম আয়োজক কমিটির প্রতিষ্ঠাতা। যার প্রচেষ্টায় ভারুয়াখালী তথা ঘোনাপাড়া সর্বপ্রথম মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
প্রিয় সুলতান স্যারের জন্য সকলে তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন এলাকাবাসী।
#চলনবিলের আলো / আপন