শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:১৩ পূর্বাহ্ন

ই-পেপার

শিরোনাম :
শিরোনাম :
পারখিদিরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, নবীন বরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আটোয়ারী উপজেলার মাসিক সমন্বয় সভা ও আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত গোপালপুর ধানের শীষ প্রতীকের এজেন্টের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত টাঙ্গাইল-২ আসনে ৩৩টি ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ সন্ত্রাস-দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র গঠনে সাংবাদিকদের ভূমিকা অপরিসীম: অধ্যাপক গোলাম রসুল ফরিদপুরে নকল দুধ তৈরির কারখানায় ভ্রাম্যমাণ আদালত; ২ লাখ টাকা জরিমানা ও ২ জনের জেল আটঘরিয়ার পুস্তিগাছা বাজার সংলগ্ন পাকা  রাস্তা দখল করে ইটের রমরমা ব্যবসা লামায় অবৈধ ইটভাটায় প্রশাসনের অভিযান ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা

গরমে মুখরোচক জনপ্রিয় তালকুশ

মো:আমজাদ হোসেন রতন,নিজস্ব প্রতিনিধি:
আপডেট সময়: সোমবার, ৩১ মে, ২০২১, ৭:৩৮ অপরাহ্ণ

শুরু হয়েছে মধুমাস। চলতি সময়ের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে হরেক রকমের সুস্বাদু ফল। ফলের তালিকায় রয়েছে, আম, জাম, কাঁঠাল, লিচু ছাড়াও অন্যতম আরেকটি ভিন্নধর্মী রসালো ফল তালের শাঁস। নরম অংশটি খুবই সুস্বাদু। গ্রাম্য ভাষায় এটি ‘তালকুশ’ বা তালের আঁটি নামে বেশ পরিচিত। প্রচুর গরমে তালের এই শাঁসটি শহর ও গ্রামের মানুষের কাছে খুবই প্রিয়।
টাঙ্গাইলের নাগরপুরে প্রতিটি এলাকায় তালগাছগুলোতে কচি তালে ভরে গেছে। মধুমাসের এ ফলকে কেউ বলে তালের শাঁস, কেউ বলে তালকুশ, আবার কেউ বলে তালের আঁটি।
বর্তমানে শহর থেকে শুরু করে গ্রামের বিভিন্ন অলিতে গলিতে এই মৌসুমি ফল তালের শাঁস বিক্রি বেড়ে গেছে।
তৈলাক্ত খাবারের চেয়ে তালের শাঁস অনেক উপকারী। এর রয়েছে অনেক গুণাগুণ।
উপজেলার কৃষকদের গাছের তালের শাঁস যাচ্ছে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে। শিশুসহ সব বয়সী লোকের মধ্যে এই তালের শাঁসের কদর দিন দিন বেড়েই চলেছে। উপজেলার প্রতিটি গ্রামেই কম বেশি তাল গাছ রয়েছে।
সরেজমিন উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার, বটতলা, কলেজ রোড ও তালতলা ঘুরে দেখা যায়, বর্তমানে এর চাহিদা অনেক বেড়েছে। বিক্রেতা শাঁস কেটে সারতে পারছে না, ক্রেতারা দাঁড়িয়ে রয়েছে শাঁস নিতে। তালের শাঁস বিক্রি করে অনেক হতদরিদ্র মানুষ জীবিকা নির্বাহ করছেন।
শাঁস বিক্রেতা রফিকুল ইসলাম ও হোসেন আলী জানান,  প্রতি বছরই এসময়ে তালের শাঁস বিক্রি করে সংসার চালান। গ্রাম অঞ্চলে ঘুরে ঘুরে তাল কিনে গাছ থেকে পেরে এনে শাঁস বিক্রি করেন।
তবে গাছে ওঠে, বাঁধা ধরে পাড়া সবচেয়ে কষ্টকর। বৈশাখ মাসের মাঝামাঝি থেকে জৈষ্ঠ্য মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত এ এক মাস চলবে তালের শাঁস বিক্রির কাজ। প্রতিদিন প্রায় ৫০০ থেকে ৬০০ শাঁস বিক্রি করা যায়। একটি শাঁস ৫ /১০ টাকা দরে বিক্রি করছি।
এতে তার প্রায় ৫০০-১০০০ টাকা লাভ হয়।
শাঁসের পুষ্টি গুনাগুণ সম্পর্কে উপজেলা স্বাস্থ্য প: প: কর্মকর্তা রোকুনুজ্জামান খান বলেন, তালের শাঁস শরীরের জন্য খুবই উপকারী একটি ফল। গরমের দিনে তালের শাঁসে থাকা জলীয় অংশ পানি শূন্যতা দুর করে। এছাড়া ক্যালসিয়াম, ভিটামিন সি, এ, বি কমপ্লেক্সসহ নানা ধরনের ভিটামিন। তালে থাকা এন্টি অক্সিডেন্ট শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। কচি তালের শাঁস রক্তশূন্যতা দুর করে। চোখের দৃষ্টি শক্তি ও মুখের রুচি বাড়াতে সাহায্য করে।
উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল মতিন বিশ্বাস বলেন, পরিসংখ্যান অনুযায়ী প্রায় ৭০০ তালগাছ রয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার সিফাত-ই-জাহান বলেন, উপজেলার বিভিন্ন সড়কে বজ্রপাত প্রতিরোধে কাবিখা প্রকল্পের আওতায় প্রায় ২০০০ তালের বীজ রোপণ করা হয়েছে। এ বছর প্রত্যেকটি ইউনিয়নে আরো তালের বীজ রোপনের প্রকল্প গ্রহণ করা হবে।

 

#চলনবিলের আলো / আপন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর