কয়েকদিনের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা বর্ষণে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। আর এ পানি বৃদ্ধির ফলে ভাঙন আতঙ্কে রাত কাটাচ্ছে টাঙ্গাইলের ভুঞাপুরের যমুনা নদীর পূর্ব পাড়ের মানুষ। ভাঙন থেকে রক্ষা পাচ্ছে না ঘরবাড়ি, গাছপালা ও ফসলি জমি। তাই আতঙ্কে রাত কাটাচ্ছেন হাজারো মানুষ। যেন তাদের দেখার কেউ নেই। করোনা আতঙ্কের মাঝে এ যেন মরার উপর খাঁড়ার ঘা। সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে , উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের খানুরবাড়ি, কষ্টাপাড়া, ভালকুটিয়া, চিতুলিয়াপাড়াসহ বেশ কয়েকটি গ্রামে ভাঙন আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে এসব এলাকার লোকজন। গোবিন্দাসী থেকে ৪-৫ কি.মি. দূরে ছিল যমুনা নদী। ভাঙনের ফলে প্রতিবছর বিলীন হচ্ছে ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি।বিলীন হয়ে যাচ্ছে একের পর এক গ্রাম। এখন হুমকির মুখে বেশ কয়েকটি মসজিদ, প্রাথমিক বিদ্যালয় ও উচ্চ বিদ্যালয়, মন্দিরসহ শত শত পাকা-আধা পাকা ঘরবাড়ি। স্থানীয়দের অভিযোগ,বিভিন্ন সময়ে জনপ্রতিনিধিরা ভাঙন রোধে বাঁধ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও তা বাস্তবে রুপ নিচ্ছে না।নেয়া হচ্ছে না ভাঙন রোধে স্থায়ী কোন ব্যবস্থা। প্রতিবছর টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ড লোক দেখানো জিও ব্যাগ ফেললেও তা কোন কাজেই আসছে না। দ্রুত স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবী জানিয়েছেন এলাকাবাসী। এ বিষয়ে টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম বলেন, ভাঙন এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলার জন্য ঠিকাদার নিয়োগ করা হয়েছে।দ্রুতই কাজ শুরু হবে।
#চলনবিলের আলো / আপন