ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায় ৯নং আচারগাঁও ইউনিয়নের আওতাভুক্ত নরসুন্দা টংগীখাল পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি লিঃ সদস্য নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ পত্রে বলা হয়েছে, উপজেলা আচারগাঁও ইউনিয়ন আওতাভূক্ত নরসুন্দা টংগীখাল পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি লিঃ ২০/১২/২০১১ ইং তারিখে খাল খনন করা কমিটি ঘটিত হয়। তখনকার সময়ে কমিটিতে যাদের সদস্য করা হয়েছে, তাদের নিয়ে এলাকাবাসীর আপত্তি রয়েছে বলে অনেকেই জানান। আপত্তির কারন হিসেবে জানা যায়, খাল খননে যাদের জমি ক্ষতিগ্রস্ত হবে তাদের সিংহভাগই কমিটিতে জায়গা হয়নি, এমনকি কমিটি গঠনের সময়ও তারা কিছুই জানেন না। কমিটিতে যাদের নাম আছে, তাদের খালের আশে পাশে কোন জায়গা-জমি নেই। এমন সদস্যও রয়েছে যাদের ঘরভিটে ছাড়া ফসলী জমি নাই, এক পরিবার সদস্য সংখ্যার চার জনই কমিটিতে সদস্য, এদের মধ্যে একজন তখকার সময়ে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলো। অভিযোগকারীরা জানান, মূলত একটি রাজনৈতিক চক্র এলাকার সহজ সরল মানুষের কমিটির সদস্যের অর্ন্তভুক্ত করেছে যেন, চক্র তাদের দিয়ে যা ইচ্ছে তা করাতে/বলিয়ে তাদের উদ্দেশ্য হাসিল করতে পারে। তাই উক্ত কমিটি বাতিল করে প্রকৃত জমি মালিকদের আওতাভুক্ত করে নতুন কমিটি গঠন করা প্রয়োজন বলে এলাকাবাসী মনে করছেন।
এলাকাবাসীর পক্ষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর দিদারুল হক আকন্দ সাক্ষরীত অভিযোগ পত্রে উক্ত কমিটি বাতিল করে পুনরায় প্রকৃত জমি মালিকদের আওতাভুক্ত করে নতুন কমিটি গঠনে যথাযথ প্রদক্ষেপ গ্রহন করার দাবি জানানো হয়েছে।
এলাকার আবু সালেহ্ বলেন, আমারা যাদের জমির উপর দিয়ে খাল খনন করা হবে, তারাই জানিনা কমিটি কখন৷, কিভাবে হলো। অথচ যাদের জায়গা জমি নাই, তারা এক পরিবারের একাধিক সদস্য কমিটিতে কি ভাবে আসে, এটা বুঝে আসে না। গত ক’বছর আগের এই খনন করে শুনেছি যারা দেখবাল করেছিলো, তারা কাজ অসমাপ্ত রেখে টাকা উত্তোলন করে ভাগবাটোয়ারা করে আত্মসাৎ করেছে। এখন আবারো হয়তো কোনো কুচক্রী মহলে এই নাম মাত্র কমিটিকে দিয়ে আবার আগের মতই হরিলুট করার পাঁয়তারা করছে। আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকের কাছে, উক্ত কমিটি বাতিল করে যারা দায়িত্বশীল ও জমির মালিক তাদেরকে কমিটতে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানাচ্ছি।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে কথা বললে তিনি জানান, এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পত্র পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।