শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ০৩:৩৪ অপরাহ্ন

ই-পেপার

গোলাপগঞ্জে জমে উঠেছে ঈদের বাজার: বিপণিবিতান থেকে ফুটপাতে উপচেপড়া ভিড়

​হাফিজুল ইসলাম লস্কর, সিলেট প্রতিনিধি:
আপডেট সময়: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ১:২৮ অপরাহ্ণ

আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে উৎসবের আমেজে মেতেছে সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলা শহর। রমজানের শুরু থেকেই কেনাকাটার ধুম পড়লেও বর্তমানে তা পূর্ণতা পেয়েছে। সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত উপজেলার ছোট-বড় মার্কেট, নামি-দামি ব্র্যান্ডের আউটলেট এবং ফুটপাতের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
​শুক্রবার (১৩ মার্চ) রাত সাড়ে ১০টার দিকে গোলাপগঞ্জ শহরের বিভিন্ন মার্কেট ঘুরে দেখা যায় এক উৎসবমুখর পরিবেশ। বিশেষ করে ওহাব প্লাজা, রানাপিং স্কয়ার, কুশিয়ারা কমপ্লেক্স, জমির প্লাজা, নুর ম্যানশন, আশিদ আলী কমপ্লেক্স ও আব্দুল মুতলিব কমপ্লেক্সে ক্রেতাদের পা ফেলার জায়গা নেই। ব্যবসায়ীদের হাঁকডাক আর ক্রেতাদের দরদামে মুখরিত হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা।
​কেবল বড় শপিং মল নয়, সাধারণ মানুষের ভিড় দেখা গেছে ফুটপাতের অস্থায়ী দোকান ও টং দোকানগুলোতেও। স্বল্প আয়ের মানুষরা তাদের সাধ্যের মধ্যে পছন্দের থ্রি পিস, পাঞ্জাবি, শার্ট, প্যান্ট কিংবা শিশুদের পোশাক কিনতে ভিড় করছেন এসব দোকানে। এছাড়াও ঈদের বাজারে নারীদের পছন্দের শীর্ষে রয়েছে আরামদায়ক ও আভিজাত্যের সংমিশ্রণ। এবার ফারসি ড্রেস, জমকালো থ্রি-পিস, শারারা-গারারা সেট, এবং পাস্তেল রঙের বাটারফ্লাই আবায়া ব্যাপক জনপ্রিয়। এছাড়াও সিল্ক শাড়ি, চিকনকারি কুর্তা, এবং ইন্ডো-ওয়েস্টার্ন ফিউশন পোশাকের চাহিদা খুব বেশি।
​পরিবারের সদস্যদের নিয়ে কেনাকাটা করতে আসা ক্রেতাদের মধ্যে বিরাজ করছে বাড়তি উচ্ছ্বাস। আশিদ আলী কমপ্লেক্স থেকে কেনাকাটা করা এক ক্রেতা জানান, “বাজেটের মধ্যেই পছন্দমতো পোশাক কিনতে পেরেছি। প্রতি বছরই এই নতুন কাপড় কেনার অনুভূতিটা ভিন্ন হয়।
​বাবার সাথে কেনাকাটা করতে আসা তরুণ ক্রেতা সোহেল জানায়, “বাবার সাথে মার্কেটে এসে নিজের জন্য প্যান্ট-শার্ট কিনেছি, এখন বাবার জন্য কেনাকাটা করছি। পরিবারের সাথে এই সময়টুকু কাটানো অনেক আনন্দের।
​অন্য এক নারী ক্রেতা জানান, “গত বছরের তুলনায় এবার পোশাকের কালেকশন যেমন ভালো, দামও মোটামুটি নাগালের মধ্যেই রয়েছে।
​বেচাকেনায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও। আশিদ আলী কমপ্লেক্সের এক বিক্রেতা বলেন, “আমরা সব সময় নতুন কালেকশন রাখার চেষ্টা করি যাতে সব আয়ের ক্রেতারা পছন্দমতো পণ্য পান। গত বছরের তুলনায় এ বছর বিক্রি অনেক বেশি হচ্ছে।
​আব্দুল মুতলিব কমপ্লেক্সের ব্যবসায়ীরা আশা প্রকাশ করছেন যে, এই ভিড় এবং বিক্রির ধারা চাঁদরাত পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর