বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নওয়াপাড়া পৌরশাখার উদ্যোগে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল সোমবার বিকালে নওয়াপাড়া ইন্সটিটিউট অডিটরিয়ামে পৌর জামায়াতের আমীর মাওলানা আলতাফ হুসাইনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন যশোর জেলা যুব জামায়াতের সভাপতি অধ্যাপক মশিউর রহমান। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ইসলামী ছাত্র শিবিরের যশোর জেলা সভাপতি মো: রাকিব হাসান, উপজেলা জামায়াতের আমীর সরদার শরীফ হুসাইন, সেক্রেটারী মহিউল ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারী ও আইবিডবিøউএফ যশোর জেলা শাখার সভাপতি গোলাম মোস্তফা, বায়তুলমাল সম্পাদক হাফেজ আ: করিম, শুভরাড়া ইউপি চেয়ারম্যান মাওলানা জহুরুল ইসলাম, উপজেলা জামায়াতের রাজনৈতিক সেক্রেটারী মাসুদ রানা, উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মো: নুরুল ইসলাম বাবলু, উপজেলা যুব জামায়াতের সভাপতি মাওলানা মো: হাবিবুর রহমান, উপজেলা তালীমুল কুরআন বিভাগের সভাপতি মাওলানা শরিফুল ইসলাম, পৌর যুব জামায়াতের সভাপতি মাসুম বিল্লাহ, যশোর জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি মাওলানা আবু মুসা। ইসলামী সঙ্গীত পরিবেশন করেন মো: দাউদ হোসেন এবং মহাগ্রন্থ পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন মাওলানা ইউসুফ আলী। বক্তারা বলেন ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর যে পৈছাসিক ঘটনা ঘটিয়েছিলো আওয়ামী লীগ, তার ঘটনা সারা বিশ্ববাসী অবাক হয়ে দেখেছিল। সেদিন মানুষকে পিটিয়ে হত্যা করে সেই লাশের উপর নৃত্য করেছিল ওই পৈছাসিক আওয়ামী লীগ। যা সারা বিশ্বব্যাপী নিন্দার ঝড় উঠেছিল। যার নির্দেশদাতা ছিল ওই ডাইনী খুনী হাসিনা। আজ সেই ক্ষমতা আর দম্ভ কোথায় উল্লেখ্য করে বক্তারা বলেন, স্বৈরাচার শেখ হাসিনা জামায়াতে ইসলামীর প্রায় ১১ জন নেতাকে অন্যায়ভাবে ফাসি দিয়ে হত্যা করেছে। বিগত ১৭ বছরে আমাদের হাজার হাজার ভাইকে পঙ্গু করেছে, শত শত ভাইকে শহীদ করেছে। সর্বশেষ বিশ্ব নন্দিত মুফাস্সির আল্লামা দেলওয়ার হুসাইনকে বিষ পুশ করে হত্যা করেছে। এদের নির্যাতনের মাত্রা এতই বেড়ে গিয়েছিল যে মহান রাব্বুল আলামীন আজ তাদের এই পরিণতি করে দিয়েছে। এছাড়া অভয়নগরে আমাদের যে অফিস ছাত্রলীগ-যুবলীগ লুট করেছে তার মামলা পুন:জীবিত করতে হবে এবং জড়িতদের শাস্তির আওয়াতায় নিয়ে আসতে হবে। তা না হলে আমরা দুরবার আন্দোলন গড়ে তুলব।