জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ উপজেলার খোদ্দ জোনাইল চাইলিনী পাড়া (পৌর) এলাকায় জাহিদুল ইসলাম গং দের বাড়ির রাস্তা আটকিয়ে চলাচলের বিঘ্ন ঘটাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে,একই এলাকার কিছু কুচক্রীমহলের তোতা মিয়ার গংদের বিরুদ্ধে। সরে-জমিনে গিয়েদেখা যায়,যে বিবাদী-মরহুম সেকান্দর আলীর চার পুত্র-মো:তোতা মিয়া(৬০),তামশা(৫৫) আছাদ (৪৫) ও,আমজাদ (৪৫) একই এলাকার কলোহ-প্রিয়, কুচক্রী ব্যাক্তি। দির্ঘ দিন থেকে জাহিদুল ইসলামের ১০/১২ টি পরিবারের পূর্ব-পুরুষ ও পৈত্রিক ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত নিম্ন-তফসিল বর্ণিত ভূমিতে দির্ঘ দিন থেকে বসত বাড়ি উঠিয়ে বসবাস করিয়া আসছে যার দাগ নং-১২৫৬৯-জমির পরিমাণ-২১-শতাংশ,,খতিয়ান নং-২৭৯০,,২৯৫৩,,৫৪৬৭,,দাদা ও বাবার আমল থেকে স্হায়ী ভাবে ঘরবাড়ী ও বসতবাড়ী উঠিয়ে বসবাস করিয়া আসিতেছে। বিগত-৯০- বৎসর যাবত বসবাস করিয়া আসিতেছে। জাহেদুল ইসলামের কর্মস্থল ঢাকায় এই সুযোগে বিবাদী গণ জাহেদুলের একমাত্র চলাচলের রাস্তাটি বন্ধ করে নতুন ঘর নির্মান করে। আমার বাবা মারা-গিয়াছে, তিনার কবর বসতঘড়ের চকির নিচে। আমাদের মৃত দেহবেড় করার মত-কোন রাস্তা না-থাকার দরুনে মৃত্য ব্যক্তির লাশ বের করার মত রাস্তা টিও দখল করে নেয় বিবাদী গণ। আামার ফুফু ৯০ বৎরেরও বেশী বয়স তিনি মারাগেলে তিনার লাশ ও বেড় করার মতো কোন সুযোগ নেই। আমার “মা”বৃদ্ধ ও ফুফু বাড়ীতে থাকেন। আমরা চাকুরীকরি ঢাকায় বাড়ীতে মা-ও ফুফু থাকে একবার আমার মায়ের মোবাইল চুড়ি করে নিয়ে যায বিবাদী গণ আামার মা-মেরে হাত ভেংগে দেয়( তোতা মিয়া) । বিবাদী-তোতা মিয়া সহ তাদের পরিবারের লো সংখ্যা ধারালো অস্ত্রে ঝাপিয়ে পড়ে আমাদের উপরে মারামারি করে। এ বিষয় নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েও কোন সুরাহা হয়নাই , স্হায়ীয় থানা মাদারগন্জে একটি মামলা করা ও জিডি করাহয়, সেনা কর্মকর্তা বৃন্দের নিকট অভিযোগ করেও কোনো সুরাহা পাচ্ছেনা জাহিদুল ইসলাম গংরা। বিবাদী গণরা ভুয়া দলিল দেখিয়ে এলাকায় আমাদের উপর সন্ত্রাসী কায়দায় দেশীয় অস্ত্রের দাপট খাটিয়ে জোরপূর্বক রাস্তা দখল করে ঘড় নির্মাণ সহ রাস্তা বন্ধ করেদেয় এবং ঘড় উঠায়ে দাপটের সাথে চলাফির করছে তোতা মিয়ারা। এর সুরাহা চেয়ে অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগীরা।