শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:২৩ অপরাহ্ন

ই-পেপার

সাতক্ষীরায় নারীকে মারধরের অভিযোগ

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:
আপডেট সময়: রবিবার, ৩১ মার্চ, ২০২৪, ১:০৫ অপরাহ্ণ

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বল্লী ইউনিয়নের আমতলা গ্রামে অসহায় নারী রহিমাকে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার বেলা ১২ ঘটিকার দিকে। রহিমা বেগম মারাত্মক যখন অবস্থায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়ে তিব্র জন্ত্রনায় কাতরাচ্ছেন।  ভুক্তভোগী রহিমা খাতুন বলেন,আমি শুক্রবার বেলা ১২ ঘটিকার দিকে আমার বাড়ির উত্তর পাশে রাস্তার উপর গাছের পাতা কুড়াবার পরে বস্তায় ভরছিলাম। সে সময় স্থানীয় শওকত আলীর পুত্র প্রবাস ফেরত সোহাগ হোসেন বলে, আমাদের জায়গা থেকে পাতা কুড়াচ্ছেন কেন,এখানে আমরা জমি পায়। সোহাগের এমন কথা শুনে আমি বলি আমাদের জায়গার পাতা আমরা কুড়িয়েছি তোমাদের জায়গায় তোমাদের পাতা আছে। তখন সোহাগ আমাকে গাল-মন্দ করতে থাকে। আমার বড় ভাসুর  আরশাদ আলী তখন ঐ পথ দিয়ে যাচ্ছিলো। আমাকে গালমন্দ করছে দেখে সোহাগকে বলে কি হয়েছে, তখন সোহাগ বলে,তুই দাড়া কি হয়েছে দেখাচ্ছি,বলে বাড়ির থেকে লোহার রড নিয়ে এসে আমার ভাসুর আরশাদ আলীকে দৌড়ানি দিয়ে  আমাদের বাড়ি নিয়ে তোলে। আমার ভাসুর আরশাদ আলী হার্ট এর রোগী হওয়ার ভয়ে ঘরে ঢুকে দরজা দিলে সোহাগ  দরজা ভাংচুর করার চেষ্টা করে। তখন আমি সোহাগ কে বলি তুই কি শুরু করেছিস বলার সাথে সাথেই  আমার উপরে তেড়ে আসে। আমাকে ধরে এড়োপাতারি চোখে, মুখে, মাথায় রডের লাঠি দিয়ে আঘাত করে।
তখনই আমি জ্ঞান হারায় পরে আর কিছু বলতে পারি না। গেন ফেরার পরে দেখি আমি  হাসপাতালে। পরে আমার পরিবারের লোকজন বলে, আমাকে মৃত্যু ভেবে সন্ত্রাসী সোহাগ আমাকে ফেলে পালিয়ে যায়। আমরা হাসপাতালে নিয়ে আসছি।
এ বিষয়ে আরশাদ আলী বলেন, আমাকে সন্ত্রাসী সোহাগ মারার জন্য ছুটে এলে  আমি দৌড়ে  ঘরের ভিতর পালায়। ঘরে দরজা দিলে সোহাগ বলতে  থাকে, তুই বের হ- আজ তোকে মেরেই ফেলব । আমি বিদেশ থেকে অস্ত্র এনেছি তোকে গুলি করে মারব। এসব বলে আস্ফালন দেখাতে থাকে। সোহাগ চলে গেলে আমি ঘর থেকে বের হয়ে দেখি, আমার ছোট ভাই এর বৌ  রহিমাকে মারাত্মক ভাবে মেরে জখম করে পালিয়ে যায়। এমন ঘটনায় আমরা ন্যায় বিচার পাওয়ার জন্য সন্ত্রাসী সোহাগ হোসেন ও তার অনুসারীদের বিরুদ্ধে  সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি এজাহার দিয়েছি। এই ঘটনায় অভিযুক্তদের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে  পলাতক থাকায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মুহিদুল ইসলাম জানান, আমি ঘটনা শুনেছি, লিখিত এজাহার পেয়েছি তদন্ত চলছে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর