সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আমিনিয়া কমপ্লেক্স প্রাইভেট লিমিটেড এর ব্যবসায়ী শহরের পুরাতন সাতক্ষীরার বাসিন্দা আব্দুল লতিফের পুত্র আব্দুল কাদের ফিরোজ (৫৫) কে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছে।
আদালতের মামলা সূত্রে জানা যায়, সাতক্ষীরা সদর পৌরসভার পাওয়ার হাউস রোডের পাশে আমিনিয়া কমপ্লেক্স প্রাইভেট লিমিটেডের নিচ তলা মার্কেটের ৯ নম্বর দোকানের পজেশন মালিক ফাহিম ফ্যাশনের আব্দুল কাদের ফিরোজ বিপক্ষে বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত সাতক্ষীরায় একটি ফৌজদারি কার্যবিধি আইনের ১৪৪ /১৪৫ ধারায় মামলা করে।
মামলার বাদী সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার (শ্রীপুর) আজিজপুর গ্রামের মৃত রুহুল আমিনের ছেলে এহসানুল হক (৩১)। ৯ নং দোকান ঘরটি ওয়ারেশ সূত্রে মালিক দাবি করে ১১/০২/২০২৪ ইংরেজি তারিখে বিজ্ঞ আদালতে মামলা করে। যার নং পিঃ ৩০৬/২৪।
মামলার বর্ণনায় ১ম পক্ষ এহসানুল হক কতৃক দ্বিতীয় পক্ষ শেখ আব্দুল কাদের ফিরোজ এর বিরুদ্ধে অবৈধ অনুপ্রবেশ, জোরপূর্বক জবর দখল, দোকান ভাংচুর সহ নানাবিধ অভিযোগকরা হয়েছে। অথচ আব্দুল কাদের ফিরোজ খুবই ভালো শান্তিপ্রিয় মানুষ, যার ফলে আব্দুল কাদের ফিরোজের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনায় ক্ষোভে ফুসে উঠেছেন আমিনিয়া মার্কেটে সকল ব্যবসায়ীরা।
আমিনিয়া মার্কেটে ব্যবসায়ীরা জানান, ব্যবসায়ী আব্দুল কাদের ফিরোজ বিজ্ঞ রোটারী পাবলিক সাতক্ষীরা এর মাধ্যমে দোকান ঘর পজেশন হস্তান্তর চুক্তিপত্রের মাধ্যমে দোকান মালিক মোঃ রাজিব রায়হান ও মোঃ সজীব রায়হান উভয় পিতা এম এ গোলাম কিবরিয়া, সাং রাজার বাগান, সাতক্ষীরা সদর সাতক্ষীরা এর কাছ থেকে ক্রয় করেন।
২০১৮ সালে দোকান ঘর ক্রয় করার পর থেকে আব্দুল কাদের ফিরোজ ও মার্কেটে সকল ব্যবসায়ী একসাথে সুনামের সাথে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছি। ফাহিম ফ্যাশনের মালিক শেখ আব্দুল কাদের ফিরোজের বিরুদ্ধে কখনো কোনো খারাপ আচার আচরণ অভিযোগ ছিল না কারো। ফাহিম ফ্যাশনের মালিক আব্দুল কাদের ফিরোজ কে হয়রানি মূলক মামলা ও কথাবার্তায় আমিনিয়া মার্কেটের ৩৬ জন ব্যবসায়ী সভাপতি সেক্রেটারির নির্দেশনায় আব্দুল কাদের ফিরোজ কে নির্দোশ দাবি করে একটি প্রত্যয়ন ও দিয়েছেন বিজ্ঞ আদালতে। এদিকে ফাহিম ফ্যাশনের মালিক শেখ আব্দুল কাদের ফিরোজ বলেন, আমি ০৬/১১/২০১৮ সালের মোঃ রাজীব রায়হান ও সজীব রায়হানের কাছ থেকে বিজ্ঞ রোটারি পাবলিকের কার্যালয় সাতক্ষীরা,দোকান ঘর পজেশন হস্তান্তর চুক্তি পত্রের মাধ্যমে ২০ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা দিয়ে ৯ নং দোকান টি ক্রয় করি। দোকান কেনার পর থেকেই শান্তিপূর্ণভাবে দোকান বুঝিয়া পাইয়া আমি ব্যবসা সম্পাদনা করিতে থাকি।
অথচ ২০২৪ সালে এসে এহসানুল হক ওয়ারেশ সূত্রে দাবিদার হয়ে আমার নামে বিজ্ঞ আদালতে মিথ্যা হয়রানি মুলক মামলা করে। আমার দোকানের সমস্ত কাগজপত্র ঠিক আছে। অথচ আমার নামে এহসানুল হক মিথ্যা মামলা করে আমাকেও হয়রানি করছে। আমি তার করা মামলার সঠিক বিচার চেয়ে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।