শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:১৩ পূর্বাহ্ন

ই-পেপার

অভয়নগরে ঔষধ ফার্মেসীতে মেয়াদোত্তীর্ণ ও নকল ঔষধে ভরপুর, প্রসাশন নিরব

মোঃ কামাল হোসেন, অভয়নগর প্রতিনিধি:
আপডেট সময়: বুধবার, ৬ মার্চ, ২০২৪, ১১:২৭ অপরাহ্ণ

যশোরের অভয়নগর উপজেলার ঔষধ ফার্মেসীগুলোতে মেয়াদোত্তীর্ণ- অননুমোদিত, নকল বিভিন্ন ব্যান্ডের ঔষধে ভরপুর হয়ে পড়েছে। তথ্য অনুসন্ধানে জানা গেছে, উপজেলার ঔষধ ফার্মেসী ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন ঔষধ কোম্পানি থেকে ঔষধ সরবরাহ করে থাকে। যে সব নামি দামী ব্যান্ডের ঔষধের আড়ালে একই মনোগ্রামে অননুমোদিত ও দাম কমের নকল ব্যান্ডের ঔষধও সরবরাহ করে ফার্মেসীগুলোতে ভরপুর করে রেখেছে। ফলে, ঔধ ক্রেতাদের সাথে অভিনব প্রতারণায় লিপ্ত একশ্রেণীর অসাধু ঔষধ ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট। নকল ঔষধ সাধারণ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে যাওয়ার ফলে মানুষের রোগ সারা তো দুরে থাক একজন রোগী ওইসব ঔষধ খেয়ে আরো বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, উপজেলার নওয়াপাড়া বাজার, হাসপাতাল গেট, ক্লিনিকপাড়াসহ গ্রামে গ্রামে শ’শ ঔষধ ফার্মেসী গড়ে উঠেছে। অধিকাংশ ঔষধ ফার্মেসীর ব্যবসায়ীরা ও বিভিন্ন ঔষধ কোম্পানির নিয়োজিত মার্কেটিং অফিসার কর্মীগণের যোগসাজশে চলে নকল ঔষধের রমরমা করবার। অন্যদিকে অনেক ঔষধ ফার্মেসীর ড্রাগ লাইসেন্সসহ মেডিকেল বিষয়ে অভিজ্ঞতা নেই। ফলে ওইসব অনিয়ম, দুর্নীতিবাজ, অসাধু মুনাফালোভী সিন্ডিকেটের কারণে উপজেলার সাধারণ মানুষ প্রতিদিন হচ্ছে চরম প্রতারণার শিকার। তথ্য সূত্রে আরো জানা গেছে, বিভিন্ন ঔষধ ফার্মেসীতে গ্যাসের ঔষধ সেকলো ২০ এর পরিবর্তে সেকনো ২০ ব্যান্ডের ঔষধ ক্রেতাদের হাতে ধরিয়ে দিয়ে মানুষকে বোকা বানানো হয়। যে কারণে সাধারণ মানুষের বোঝার কোন উপায় থাকেনা কোনটা আসল, কোনটা নকল। সূত্রমতে, অসাধু সিন্ডিকেট এর রয়েছে সাংবাদিক ও রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের সাথে সখ‍্যতা, যে কারণে উপজেলার সাধারণ মানুষের ভাগ্য রোগশোকে হ-য-ব-র-ল অবস্থা। জরুরি ভাবে উপজেলা ঔষধ প্রশাসন তদারকি করে ওই সব ঔষধ নিয়ে কারসাজি করা ফার্মেসীগুলোকে চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত পদক্ষেপ নিতে সচেতন মহল দাবি করেছেন। এবিষয়ে বাংলাদেশ ড্রাগ এন্ড কেমিস্ট এর অভয়নগর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক শ্রী বিশ্বজিৎ সিংহ বলেন, ওই সব ভূঁইফোড় ড্রাগ লাইসেন্স বিহীন ও নকল ঔষুধ সরবরাহকারী ফার্মেসী ব্যবসা সম্পূর্ণ বেআইনি হলেও আমরা ঔষধ প্রশাসনকে অনেকবার তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানালেও শুধু আশ্বাসের বাণী শুনেছি, কিন্তু কোন পদক্ষেপ গ্রহন করেনি, আর ঔষধ প্রশাসন যদি এগুলোর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন না করে তবে আমরা কি করতে পারি? এবিষয়ে অভয়নগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কেএম আবু নওশাদ এর মুঠোফোনে একাধিক বার ফোন করলেও তিনি ফোনটি রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর