অমর একুশে বই মেলা -২০২৪ এর বই মেলা থেকে হিলি হাকিমপুর উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের নবীন লেখক মোঃ মহিদুল ইসলামের লেখা ” আকাশ ছোঁয়া স্বপ্ন” বইটির মোড়ক উন্মোচন হলো আজ।”পড়ো বই গড়ো দেশ, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে চলছে বাংলা একাডেমি ও সোহরাওয়াদী প্রাঙ্গণে বসেছে অমর একুশে বইমেলা। মেলায় হাজার হাজার গুণীজন কবি, সাহিত্যিক ভাষাবিদ ও শিক্ষাবিদদের এক মিলনমেলা বসেছে।দিনাজপুর জেলার সীমান্তবর্তী হাকিমপুর উপজেলায় বসে গত ২০২৩ সালের বই মেলায় তার একটি প্রথম বই প্রকাশিত হয়েছিল,যার নাম ” আজও তোমার অপেক্ষায়”। আজ তাঁর লেখা দ্বিতীয় বই আকাশ ছোঁয়া স্বপ্ন বইটির মোড়ক উন্মোচন করা হলো।দিনাজপুর জেলার প্রকৃতিপ্রমি,মানবতাবাদী কবি ও কথা সাহিত্যিক গল্পকার,গণহত্যা-নির্যাতন ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষণা মেহেনাজ পারভীনের সভাপতিত্বে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের মুক্র মঞ্চে তাঁর বইটির মোড়ক উন্মোচন করা হয়।প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বইটির মোড়ক উন্মোচন করেন আঃ গণি ভুঁইয়া, কবি ও সংগঠক,ঢাকা।এসময় উপস্থিত ছিলেন জনাবা ফারহানা রহমান মিষ্টি, লেখক, কবি ও প্রভাষক,ফুলছড়ি সরকারি কলেজ, ফুলছড়ি, গাইবান্ধা। বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক জনাব হুমায়ন কবির,বরিশাল, এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন জনাব মশিউর রহমান দুর্জয়, এবং রহিমা আক্তার রাইমা,কবি ও সংগঠক।স্বপ্ন পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা।নবীন লেখক আকাশ ছোঁয়া স্বপ্ন নিয়ে দুটি কথা বলেন।তিনি বলেন আসলে ভারতের প্রেসিডেন্ট এ.পি.জে আবদুল কালাম এর উক্তিতে যদি বলি আমরা আসলে যে স্বপ্ন ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে দেখি তা প্রকৃত স্বপ্ন নয়।প্রকৃত স্বপ্ন তো আসলে ঐটায় যে স্বপ্ন মানুষকে ঘুমাতে দেয়না।জাগিয়ে জাগিয়ে ও স্বপ্ন দেখে।আমি একজন শিক্ষক, আমার কাজ শ্রেণি পাঠদান করা।আমার কাছে সকল শিক্ষার্থী এক।সকল শিক্ষার্থীকে স্বপ্ন দেখানো,তাদের অনুপ্রেরণা জোগানো,উৎসাহ প্রদান করা,মানুষের মত মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা বা তুলতে সহায়তা প্রদান করা। আজ তেমনি, আমার পাশে আমার একজন শিষ্য/ ছাত্র মোঃ মেহেদী হাসান শামীম, যাকে তিনি ২০০৬ /২০০৭ সাল থেকেই আকাশ ছোঁয়া স্বপ্নের কথা বলে আসছিলেন।সে বর্তমান বুয়েট থেকে সিভিল ইন্জিনিয়ারিং পাশ করে পানি উন্নয়ন বোর্ডে কর্মরত আছে।তাকে আজ আকাশ ছোঁয়া স্বপ্ন বইটির মোড়ক উন্মোচন মঞ্চে পেয়ে তিনি গর্বিত।বইটিতে ছোট ছোট শিশুদের আগামী দিনের ভাবনা,তাদের চিন্তা,চেতনা,তাদের স্বপ্নগুলোকে জাগত করার জন্য তিনি স্বপ্ন দেখিয়েছেন কবিতার মাধ্যমে। যা ছোট ছোট শিশুদের কাজে আসবে বলে তিনি মনে করে।বইটি প্রিয় বাংলা প্রকাশনার স্টল ৪০১-৪০২ পাওয়া যাচ্ছে।