শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:৫৬ পূর্বাহ্ন

ই-পেপার

শিরোনাম :
শিরোনাম :
টাঙ্গাইলে ভুল ওষুধে ১৭ হাজার মুরগি মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষতিপূরণ ও চিকিৎসকসহ জড়িতদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন লামায় ফাঁসিয়াখালীতে বন্য হাতির আক্রমণে একজন নিহত পাবনা-৪ নবনির্বাচিত এমপি’র সাথে আটঘরিয়া উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের মতবিনিময় সভা ঈশ্বরদীতে ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে অভিযান অব্যাহত থাকবে: আরিফুর রহমান আটঘরিয়ায় বিনামূল্যে কৃষকদের মাঝে পেঁয়াজ বীজ কন্দ ফসলের উৎপাদনের উপকরণ বিতরণ আটোয়ারীতে গ্রাম আদালত কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা চৌহালীতে বালুবাহী বল্কহেড চলাচলে যমুনা নদীর পুর্ব তীর রক্ষা বাধ হুমকিতে পড়েছে চাটমোহরে মানবিক ছোঁয়া: অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে নবনির্বাচিত এমপি ও উপজেলা প্রশাসন

হাঁস পালন করে ৬ মেয়ের মধ্যে ৪ মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন ফরদিুল

সাইদুজ্জামান সাগর, রাণীনগর (নওগাঁ) প্রতিনিধি:
আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০২৪, ১১:১০ অপরাহ্ণ

ভ্রাম্যমাণ খামারে হাঁস পালন করে সংসারে এসেছে স্বচ্ছলতা। বছরের পুরোটা সময় খামারের আয় দিয়েই জীবিকা নির্বাহ করেন তারা। হাঁসের ডিম এবং হাঁস বিক্রি করেই সাবলম্বী হয়েছেন নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলার খড়মকুড়ি গ্রামের ফরিদুল রহিদুল।

হাঁস ডিম বিক্রির টাকায় সংসার খরচ বাদে অল্প অল্প করে জমানো টাকায় ৬ মেয়ের মধ্যে ৪ মেয়েকে বেশ ধুমধাম করে বিয়ে দিয়েছেন ফরিদুল ইসলাম (৫৪)। বাকি দুই মেয়ে এখন ছোট, তাই তাদের জন্য সংসার খরচ বাদে সঞ্চয় করছেন তিনি। রহিদুল ইসলাম (৩৪) স্ত্রী মা আর এক মেয়েকে নিয়ে তার সংসার। স্বচ্ছল ভাবেই চলছেন তিনি। প্রতি বছর তারা হাঁসের বাচ্চা কিনে পথে-প্রান্তরে, খাল-বিল ও উম্মুক্ত জলাশয়ে হাঁস পালন করে। তাদের ভাষায় ‘তারা ভ্রাম্যমাণ হাঁস খামারি’, প্রতিবছর এক ঝাক হাঁস নিয়ে নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলার খড়মকুড়ি গ্রাম থেকে নওগাঁর রাণীনগরে চলে আসে। ১ থেকে ২ মাস পর আবার ফিরে যান নিজ উপজেলায়। সিংড়া উপজেলা দিয়ে বয়ে যাওয়া আত্রাই নদীর জলাধারগুলো বেছে নেন তারা। খাল-বিলের বাড়তি খাবারের সাথে দিনের নির্দিষ্ট সময় এক বার বাজার থেকে কেনা ফিট জাতীয় দানাদার খাদ্য খেতে দেন হাঁসগুলোকে। রোগ-বালাই দেখা না দিলে হাঁসের বাচ্চার বয়স ৩থেকে ৪ মাস হলেই ডিমের দেখা মিলে। আর ৬ থেকে ৭ মাসে পুরোদমে ডিম দেয়। আবহাওয়া ভেদে ডিম দেওয়ার সংখ্যা কমে বাড়ে। বছর শেষে ডিম দেওয়া একেবারেই কমে গেলে হাঁস গুলো বাজারে বিক্রি করে দেন। এতে মোটা অঙ্কের টাকায় লাভ হয়। এ ভাবে হাঁস পালনের মাধ্যমে তাদের সুদিন ফিরেছে।

সারা দিন হাঁস চরিয়ে রাতের বেলা অস্থায়ীভাবে তৈরি বাঁশের বানা আর নেট জাল দিয়ে ঘের করে হাঁসগুলো নিয়ে থাকছেন তারা। কয়েক দিন পর খাবারের সন্ধানে হাঁসের পাল নিয়ে চলে যাচ্ছেন অন্য এলাকায়। এভাবে ঘুরেঘুরে হাঁস পালনে খাবারের খরচ নেই বললেই চলে। লাভজনক হওয়ায় এ পদ্ধতিতে হাঁস পালনে আগ্রহীর সংখ্যা বোড়ছে।

খামারি ফরিদুল ইসলাম ও রহিদুল ইসলাম বলেন, আমাদের দুইজনের বর্তমানে ১ হাজার ৮০ টি হাঁস রয়েছে। প্রতিদিন সাড়ে তিনশত করে ডিম দিচ্ছে। প্রতিদিন স্থানীয় ডিম ব্যবসায়ীদের কাছে একশত ডিম ১হাজার ৭৮০ টাকায় পাইকারি দরে বিক্রি করছি। দুই দল হাঁস চড়ানোর জন্য দুইজন কর্মচারি রেখেছেন তারা। তিন বেলা খাওয়া সহ একেক জন কর্মচারিকে মাসিক বেতন দিতে হয় ৯ হাজার টাকা করে। এছাড়াও প্রতিদিন ৩ হাজার টাকার ফিট খাওয়াতে হয় হাঁসগুলোকে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর