ঝালকাঠিতে ৩৬ ঘন্টা বিদ্যুৎ না থাকায় জনজীবন অতিস্ট হয়ে পড়েছে। বিদ্যুৎ না থাকার ফলে পানিও ছিল না শহরের বাসা বাড়িতে। ফলে রান্না বান্না ও পানীয় জলের সংকটে পড়ে ঝালকাঠিবাসী। বিদ্যুৎ না থাকায় দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। এসএসসি ভোকেশনাল ৯ম শ্রেণির ও ডিপ্লোমা ইন এগ্রিকালচার পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করতে শিক্ষার্থীরা চরম বিপাকে পড়ে। জনমানব শূন্য হয়ে পড়ে ঝালকাঠি শহর।
ঝালকাঠি শহরের চাঁদকাঠির বাসিন্দা এনায়েত হোসেন বলেন, বিদ্যুত না থাকায় অন্ধকারে জীবনযাপন করছি। বাসায় পানির অভাবে রান্নাও বন্ধ রয়েছে। ঝালকাঠির শতদশকাঠির গ্রামের কবিতা সিকদার জানান, দুর্বিসহ একটি রাত ও দিন কাটিয়েছি। বিদ্যুৎ না থাকায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ি। মোবাইলে চার্জ না থাকায় কারো সাথে যোগাযোগ রক্ষা করা সম্ভব হয় নাই। শুক্র ও শনিবার কারিগরি বোর্ডে পরীক্ষা থাকায় পরীক্ষার্থীরাও বিপাকে পড়ে।
এ ব্যাপারে ওজোপাডিকো’র নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহিম জানান, “ঝালকাঠি শহরে এবং কালিজিরা পয়েন্টে বরিশাল ঝালকাঠি সড়কে বড় বড় গাছ পড়ে বিদ্যুৎতের তার ছিড়ে যায় এবং বিদ্যুৎতের খুটি হেলে পড়ে। বরিশাল ও ঝালকাঠির ফায়ার সার্ভিস এর সহযোগীতায় গাছ সরানো হয়েছে। অনেকগুলি গাছ সরাতে সময় লেগেছে, সেজন্য বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে দেরী হয়।”
ঝালকাঠির সচেতন মহল মনে করেন, বিদ্যুৎ বিভাগের গাফিলতির কারণে সবসময়ই ঝালকাঠিতে এরকম অবস্থা সৃষ্টি হয়। সামান্য বৃস্টি বা বাতাস হলে প্রায়ই বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেয়া হয়। ফলে দুর্ভোগ পোহাতে হয় সাধারণ মানুষের।