শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:১৮ পূর্বাহ্ন

ই-পেপার

শেষ মুহুর্তে রামগড়ে জমে উঠেছে ঈদের বাজার

বেলাল হোসাইন, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:
আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৩, ৮:০৬ অপরাহ্ণ

খাগড়াছড়ির রামগড়ে জমে উঠেছে ঈদের বাজার।ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে রোজায় কেনাকাটায় ব্যস্ত সময় পার করছেন নারী-পুরুষ, শিশু-কিশোররা।সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত খোলা থাকছে দোকানপাট। বিশেষ করে ইফতারের পর বাজারে গিজগিজ করছে মানুষ।ক্রেতাদের ভিড় দেখে খুশি বিক্রেতারা।করোনায় যে ক্ষতি হয়েছিলো সেটি পুষিয়ে দীর্ঘদিন পর আবারো লাভের মুখ দেখছে বলে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন কয়েকজন ব্যবসায়ী।

সরেজমিনে আজ মঙ্গলবার রামগড় বাজার এবং সোনাইপুল বাজার ঘুরে দেখা যায় পোষাকের দোকান গুলোতে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়।পুরুষদের চেয়ে নারীদের উপস্থিতি বেশি লক্ষ করা গেছে।ক্রেতা আকর্ষণে নানা সাজসজ্জা আর প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে ব্যবসায়ীরা।ঈদকে সামনে রেখে দোকান গুলোতে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নিত্য-নতুন ডিজাইনের মেয়েদের সিল্ক, বেনারসি, টাঙ্গাইল প্রিন্ট, জামদানি ও কাতান শাড়িসহ থ্রি-পিস, লং-থ্রিপিস, সালোয়ার কামিজ, লেহেঙ্গা, ছিট-কাপড় গ্যাবাডিং-প্যান্ট, হাফ শাট, ফতুয়া ও পাঞ্জাবি বিক্রি হচ্ছে।তবে ক্রেতারা বলছেন দ্রব্যমূল্যের উর্দ্ধগতির কারণে আয়ের সঙ্গে মিল রেখে কেনাকাটা করছেন তারা।

রামগড় বাজার এলাকার সুলতান আহমেদ মার্কেটের আফরা’স হাউসে গিয়ে কথা হয় পোষাক কিনতে আসা শামীমা আক্তার পান্নার সাথে।তিনি জানান,পুরো শোরুম ঘুরে স্বামী, সন্তান আর আত্মীয়স্বজনের জন্য কেনাকাটা করলেন। রোজার আগে পরিবার এবং নিজর জন্য কেনা কাটা শেষ করতে চয়ছিলেন। ভালো-সুন্দর কালেকশন শেষ হয়ে যাবে তাই আগে ভাগে পোশাক কিনে নিয়েছেন।তিনি আরো জানান,দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির কারণে আয়ের সঙ্গে মিল রেখে এখান থেকে জামা কাপড় নিতে এসেছেন।

রামগড় বাজারের কাপড় ব্যবসায়ী সুমন জানান,করোনার কারণে গত বছরের আগের দুই বছর লোকসানের সম্মুখীন হয়েছেন।এবার রমজানের শুরু থেকেই ক্রেতারা আসছেন। বেচাবিক্রিও ভালো।আশা প্রকাশ করে বলেন সংকট কাটিয়ে আবার ঘুরে দাঁড়াতে চান।

রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)মিজানুর রহমান বলেন,মানুষ যেন কেনা কাটা করে নির্বিঘ্নে বাড়ি যেতে পারে এজন্য বাজার এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।পুলিশের টহল বাড়ানো হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর