টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলায় চলতি মৌসুমে তুলা চাষ করে ব্যাপক লাভবান হবার স্বপ্ন বুনছেন চাষীরা। সরকারী প্রণোদনা, অনুকূল পরিবেশ, পরিচর্যা এবং ভালো বীজের কারণে তুলার তিনগুন ফলন হওয়ার আশাবাদী কৃষকরা। বর্তমানে চাষীরা জমি থেকে তুলা তুলতে ব্যস্ত।
সরকারি প্রকল্পের বিভিন্ন প্রনোদনার কারণে উপজেলায় চলতি মৌসুমে তুলা চাষ বৃদ্ধি পেয়েছে। চাষীরা জানান, আগে তুলা চাষ করে অনেকে লোকসানে পড়েছেন। কিন্তু কয়েক বছরে তুলনায় তুলার দাম ভালো পাওয়ায় তারা লাভবান হয়েছেন। একারনে চলতি মৌসুমে ০১ হাজার ৫ শত হেক্টর জমিতে তুলার চাষ হয়েছে। আবহাওয়া ভালো থাকায় এবং তুলা উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা ও কৃষকদের অক্লান্ত পরিশ্রমে তুলার ফলন অন্য কয়েক বছররের তুলনায় ভালো। তুলা উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের পরামশ্যে ও প্রনোদনায় চাষীরা তুলার জমিতে এবছর সাথি ফসল হিসেবে বিভিন্ন শাক-সবজীর চাষ করেও বাড়তি লাভ পেয়েছেন।
তুলা উন্নয়ন বোর্ডের উপ-পরিচালক জানান, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা কোনো ধরনের আপদ না হওয়ায় তুলার তিনগুন ফলন হয়েছে। কৃষকরা যাতে উৎপাদিত তুলার ন্যায্যমূল্য পায় সে জন্য তুলার মুল্যও বাড়ানো হয়েছে সরকারীভাবে।
ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিদ্দুকুর রহমান জানান, অন্য ফসলের চেয়ে তুলা চাষ লাভজনক হওয়ায় এ অঞ্চলের কৃষকরা তুলা চাষে আগ্রহী হচ্ছেন।
সারা জেলায় সরকারী প্রনোদনায় তুলা চাষ সমপ্রসারন করা গেলে তুলা আমদানীর নির্ভরতা অনেকটাই কমে আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ঠরা।