বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৪১ পূর্বাহ্ন

ই-পেপার

জয়নগর কৃপারামপুরে কোবলাকৃত জমির গাছপালা কাটার অভিযোগ উঠেছে

স্টাফ রিপোর্টার:
আপডেট সময়: রবিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, ১০:২৮ অপরাহ্ণ

সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার  ১নং জয়নগর ইউনিয়নের কৃপারামপুর গ্রামে কোবলা সূত্রে কেনা ভোগদখলীয় জমির গাছপালা কাটার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
চৌরাস্তা সংলগ্ন কৃপারামপুর গ্রামের মৃত মতলেব আলী মোড়লের পুত্র মোঃ আব্বাস মোড়ল গাছগাছলা কেটে দিয়েছেন বলে জানা যায়।
বর্তমানে ঐ জমির মালিক নেয়ামত আলী  মোড়লের পুত্র  জাহাঙ্গীর  ৭১৫৬,৭১৫৭/২২ নং কোবলা দলিল  মূলে ১৩ শতক জমির মালিক বলে যানা যায়। সেই জমির গাছ গাছলা কেটে দিয়েছে আব্বাস মোড়ল।  তথ্য সংগ্রহে আরো জানা যায়, ৩০-১১-২০২২ ইংরেজি সালে সাব কোবালা দলিল মূলে পার্শ্ববর্তী চকজয়নগর গ্রামের  মৃত লোকমান মোড়লের পুত্রদ্বয় আব্দুল সাত্তার ও আছমাতুল্ল্যা মোড়লের নিকট থেকে ৭২৬ নং খতিয়ানে ০৫/০৮/১৯৯৬ সালের ৩৯৮৮ নং কোবলাকৃত দলিলের তপসিল বর্ণিত সম্পতির ১৩ শতক জমি পৈত্রিক ও কোবলাকৃত দলিল থাকায়  মোঃ জাহাঙ্গীর মোড়ল ক্রয় করেন।
এবিষয়ে জমির মালিক জাহাঙ্গীর মোড়ল বলেন,
আমি জমি কেনার পর থেকে জমির পাশে বসতবাড়ি করে থাকা আব্বাস মড়ল জমির গাছপালা কাটা সহ নানা রকম ভাবে ক্ষয়ক্ষতি করে আসছে। আমি জমিতে গেলেই আব্বাস সহ তার পরিবারের লোকজন আমাকে নানাভাবে গালিগালাজ করে,ভয়ভিতি দেখায়।
অথচ আমি জমির কাগজপত্র দেখেই মৃত লোকমান হোসেনের ছেলে আব্দুল সাত্তার ও আসমাতুল্ল্যার কাছ থেকে ১৩ শতক জমি ক্রয় করেছি।
আমি জমি কেনার পরই আব্বাস মোড়ল নানাভাবে আমাকে হয়রানী করছে। নানাভাবে হুমকি-ধামকি দেয়। ফসলের ক্ষতি করে।
আব্বাস বলে তুই আমার বাড়ির পাশের এই জমি কিনেছিস কেন, তুই না নিলে ওই জমি আমি কম টাকায় নিতে পারতাম। আমাকে তারা কম টাকায় দিবে বলে রাজি হয়েছিল কিন্তু তোর জালায় পারলাম না তুই কিভাবে এখানে ফসল আবাদ করিস আমি দেখে নেব।
যার ফলে আজ আমার লাগানো গাছ গাছলা সহ নানা রকম ক্ষয়ক্ষতি করেছে আব্বাস মড়ল।
আমাকে অবৈধভাবে গালিগালাজ করা,আমার জমির ক্ষয়ক্ষতি করায় আব্বাস মড়লের বিচার চায়। জমির কলাগাছ সহ ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে  আব্বাস মোড়লের কাছে জানতে চাইলে, গাছ গাছলা কাটার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমার বসতবাড়ির পাশের ১৩ শতক জমি আমি কিনতে চেয়েছিলাম। জমির মালিকগনের কাছে  বাইনা ও করেছিলাম ঐ জমি আমার কাছে বিক্রি করার কথা ছিলো। জাহাঙ্গীর মোড়ল আমার দামের চেয়ে বেশি মুল্যে ঐ জমি কিনেছে। আমি তাকে বারন করেছিলাম তবু সে জমি বেশি দামে কিনে  নিল।
আমি ঐ জমিতে মুসলিম হক সেবা আইনে আমানত করেছি, সেজন্য আদালতে মামলার সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত ওই জমিতে গাছগাছালি লাগাতে পারবে না।
 বিষয়টি নিয়ে জমির বিক্রয় মালিক আব্দুল ছাত্তার বলেন, আমরা আমাদের ১৩ শতক জমি জাহাঙ্গীর মোড়লের নিকট বিক্রয় করে দিয়েছি। আব্বাস মোড়লের সাথে আমাদের কথা হয়েছিল ঠিকই তবে বাজার মূল্য ছাড়া জমির দাম অনেক কম দেওয়ায় তাকে জমি দিতে পারেনি।
 এদিকে গ্রামের অনেক সাধারণ মানুষ বলেন,আব্বাস মড়ল ঐ জমির মালিক গনের কোন ওয়ারেশ না তবে কি করে সে আমানত করবে। আমানতদার হতে হলে তো জমির ওয়ারেশগন হতে হবে। এলাকার সুশিল সমাজ বলছে, বিষটি খুব বেশি জটিল না হলেও আব্বাস মড়ল জটিলতা সৃষ্টি করছেন। এ বিষয়ে এলাকায় শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে  সঠিক বিচার পাওয়ার জন্য জেলা প্রহশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন উভয় পক্ষ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর