বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৪০ পূর্বাহ্ন

ই-পেপার

ঘোষণার প্রায় পাঁচ বছর পর সরকারী নিয়োগ পেলেন বঙ্গবন্ধুর অধ্যয়ন করা ঐতিহ্যবাহী গৈলা মডেল সরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা

চলনবিলের আলো ডেস্ক:
আপডেট সময়: রবিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, ১০:২২ অপরাহ্ণ

জাতীয় করণ ঘোষণার প্রায় পাঁচ বছর পরে সরকারী নিয়োগ হাতে পেলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শৈশবে অধ্যয়ণ করা বরিশালের আগৈলঝাড়ার ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ গৈলা মডেল সরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয়। শিক্ষকদের পরিবারে বইছে আনন্দের বন্যা।
সরকারী নিয়োগপত্র হাতে পেয়ে রবিবার সকালে মন্ত্রী মর্যাদায় পার্বত্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন ও পরীবিক্ষন কমিটির আহ্বায়ক, জাতির পিতার ভাগ্নে আলহাজ¦ আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ -এমপি’কে তাঁর সেরালস্থ বাস ভবনের গিয়ে কৃতজ্ঞ চিত্তে ফুলেল শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ অন্যান্য শিক্ষক মন্ডলীরা।
এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাত, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বিদ্যালয় সভাপতি মো. সাখাওয়াত হোসেন।
গৈলা মডেল সরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জহুরুল হক জানান, ১৮৯৩ সালে ম্যাজিস্ট্রেটের চাকুরী ছেড়ে কৈলাশ চন্দ্র সেন নিজ এলাকায় ঐতিহ্যবাহী গৈলা বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করে নিজে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে সুনামের সাথে বিদ্যালয়টি পরিচালিত হয়ে আসছে। ঐতিহ্যর ধারাবাহিকতায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শৈশবে এই বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণিতে লেখাপড়া করেছিলেন। অধ্যয়ন করেছেন আরও অনেক গুনী শিক্ষার্থী। যারা এখন দেশ-বিদেশে বিভিন্ন উচ্চ পদস্থ পর্যায়ে কর্মরত রয়েছেন।
মন্ত্রী আলহাজ¦ আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ -এমপি’র প্রচেস্টায় ২০১৮ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় করণ ঘোষণা হয়। ২০০৯ সালে উপজেলা পর্যায়ে একটি বিদ্যালয় মডেল ঘোষণার অংশ হিসেবে বিদ্যালয়টি মডেল বিদ্যালয় হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
প্রধান শিক্ষক মো. জহুরুল হক জানান- ২০১৮ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় করণ ঘোষণার দীর্ঘ পাঁচ বছর পরে সরকারী বিধি-বিধান অনুসরণ করে সরকারী নিয়োগপত্র হাতে পেয়েছেন বিদ্যালয়ের ২৪জন শিক্ষক। এর মধ্য দিয়ে ২০১৮ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে এরিয়া বিলসহ সরকারের সকল প্রকার প্রাপ্য সুবিধাধি পাবেন শিক্ষকেরা। চার জন কর্মচারীর সরকারী নিয়োগপত্র হাতে পাননি। এদের মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়েছে, একজন অবসরে গেছেন, দুইজনে পদ না পরিবর্তনের কারনে তাদের নিযোগ প্রাপ্তিকে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে। তবে শিঘ্রই তাদের নিযোগ হাতে পাবেন বলেও আশা করছেন তিনি। সরকারী নিয়োগ হাতে পাওয়ায় বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পরিবারে বইছে আনন্দের বন্যা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর