কিন্তু উপজেলা প্রশাসন কোন ব্যবস্থা নেয়নি। তারা গাছ চুরি ও পাচারের অভিযোগে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানান। মাদরাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি মুক্তিযোদ্ধার এডভোকেট শামসুল আলম জানান, বিনানুমতিতে অধ্যক্ষ সাহেব গাছে কেটে অন্যায় করেছেন। তার বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে। অধ্যক্ষ আবুল কালাম জানান, তিনি গাছ চুরি করেননি। গোপনে কাটেনি। তিনটি গাছ ঝড়ে ভেঙ্গে গিয়েছিল। আর নতুন ভবনের ছাদঢালাইয়ের জন্য তিনটি গাছ কাটা অপরিহার্য ছিল। উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মৌখিক অনুমতিক্রমে কয়েকটি গাছ কাটা হয়। গাছ বিক্রির টাকা মাদ্রাসার ক্যাসে জমা রয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার পারভেজ মল্লিক জানান, গাছ কাটার ক্ষেত্রে কিছু সরকারি আইনকানুন রয়েছে। অধ্যক্ষ সেই আইনের তোয়াক্কা না করে গাছ কর্তন ও বিক্রি করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। লিখিত অভিযোগটি তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে। তদন্ত রিপোট পাওয়ার পর তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। তাকে কখনো মৌখিকভাবে গাছ কাটার জন্য কোন অনুমোদন দেয়া হয়নি।