শনিবার বরিশালে বিএনপির মহাসমাবেশে যাবার পথে কেন্দ্রীয় নেতারা গাড়ি বহর নিয়ে যাওয়ার সময়ে গৌরনদী উপজেলার মাহিলাড়া বাসষ্ট্যান্ডে বিএনপি-যুবলীগ ও ছাত্রলীগের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এসময় আওয়ামী লীগের একটি অফিস ঘর, ৮টি মোটর সাইকেল এবং বিএনপির একাধিক মাইক্রোবাস ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। প্রতিপক্ষের হামলায় মাহিলাড়া ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক বিলাস কবিরাজসহ যুবলীগ ও ছাত্রলীগের তিন নেতা-কর্মী আহত হয়েছে। নেতা-কর্মীদের উপর হামলা ও মোটর সাইকেল ভাংচুরের প্রতিবাদে গৌরনদী উপজেলা ও পৌর আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা তাৎক্ষনিক বিক্ষোভ মিছিল করে। শনিবার সকালে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার সকালে কেন্দ্রীয় বিএনপির কার্যনির্বাহী সদস্য ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনের নেতৃত্বে ১৫/২০টি মাইক্রোবা একযোগে বরিশালে বিএনপির মহাসমাবেশে যাচ্ছিল। সকাল ৭টার দিকে উপজেলার মাহিলাড়া বাসষ্ট্যান্ড এলাকায় পৌঁছলে তাদের গাড়ি বহরে কতিপয় যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীর বাঁধার মুখে পরে। এসময় বিএনপি-যুবলীগ ও ছাত্রলীগের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আহত যুবলীগ নেতা বিলাস কবিরাজ জানান, বরিশালে বিএনপির মহাসমাবেশে যাবার সময় অতর্কিতভাবে আগ্নেআস্ত্রসহ তাদের উপর হামলা চালিয়ে তাকেসহ তিন নেতা-কর্মীকে আহত করে এবং তাদের ৮টি মোটরসাইকেল ও একটি অফিস ঘরের আসবাবপত্র, প্রধানমন্ত্রীসহ অন্যান্য রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দর ছবি ভংচুর করে।
মুহুর্তের মধ্যে এ খবর ছড়িয়ে পড়লে গৌরনদী উপজেলা ও পৌর আওয়ামীলীগ এবং সহযোগী সংগঠনের শত শত নেতা-কর্মীরা মাহিলাড়া বাসষ্ট্যান্ডে জড়ো হয়ে নেতা-কর্মীদের উপর হামলা ও অফিস ভাংচুরের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করে।
গৌরনদী মডেল থানার ওসি মো. আফজাল হোসেন বলেন, এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায় নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।