সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:১৫ পূর্বাহ্ন

ই-পেপার

শিরোনাম :
শিরোনাম :
অভয়নগরে বারবার অভিযোগ, তবুও নিরব প্রশাসন, হামিদ মেমোরিয়াল (প্রা.) হাসপাতালে আর কত মৃত্যু? এমপি হিসেবে নয়, জনগনের সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই- নবনির্বাচিত এমপি লাভলু চাঁদাবাজ ধরিয়ে দিলেই পুরস্কার: কক্সবাজারে নবনির্বাচিত এমপি লুৎফুর রহমান কাজলের ঘোষণা অভয়নগরে প্রশাসনের চোখের সামনেই মাদকের রমরমা বাণিজ্য পাবনা-৩ আসনে পুনরায় ভোট গণনার দাবি, ডিসি অফিস ঘেরাও করে বিএনপির বিক্ষোভ আমরা প্রতিহিংসার রাজনীতি করবোনা , কাহাকেও প্রতিহিংসার রাজনীতি করতে দিবনা- ব্যারিষ্টার মুহাম্মদ নওশাদ জমির আটঘরিয়ায় বিএনপির অফিস ও বাড়িতে হামলা ভাংচুরের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন টাঙ্গাইল-৬(নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনে জামানত হারালেন ৫ প্রার্থী

আত্রাইয়ে নিষিদ্ধ রিংজাল দিয়ে মৎস্য নিধন, দেশীয় প্রজাতি মাছের সঙ্কট

রুহুল আমিন, আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি:
আপডেট সময়: বুধবার, ২ নভেম্বর, ২০২২, ৪:০৩ অপরাহ্ণ

নওগাঁর আত্রাইয়ে নদী ও বিভিন্ন খাল বিলে নিষিদ্ধ রিংজাল দিয়ে অবাধে চলছে মাছ শিকার। কর্তৃপক্ষের অবহেলা আর উদাসিনতার সুযোগে এক শ্রেণির অসাধু মৎস্য শিকারীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। এবারে আত্রাইয়ে বন্যা কম হওয়ায বর্ষা মৌসুমের শুরু থেকেই নদী ও খাল বিলে পানি কম। এ জন্য অন্যান্য বছরের তুলনায় এবারে মাছের প্রজননও অনেক কম হয়েছে। তারপরও নিষিদ্ধ রিংজালের ব্যবহারে দেশীয় প্রজাতি মাছের তীব্র সঙ্কট দেখা দিয়েছে। এতে করে উপজেলার হাজার হাজার জেলে পরিবার অসহায় হয়ে পরছেন।
জানা যায়, উপজেলার ৮ ইউনিয়নে সহস্রধিক জেলে পরিবার রয়েছে। তারা সাড়া বছর মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করেন। বছরের অন্যান্য সময় তেমন মাছ না হলেও বর্ষা মৌসুমের মাছ বিক্রি করেই তাদের সাড়া বছরের কামাই-রোজগার করে নিতে হয়। এবারে বন্যা কম হওয়ায় এমনিতেই মৎস্যজীবীরা হতাশ হয়ে পড়েছিলেন। তারপরও বর্ষা মৌসুমের শেষের দিকে কিছুটা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে আত্রাই নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছিল। ফলে নদীতে মাছের প্রজনন শুরু হয়েছিল। কিন্তু মাছের প্রজনন বৃদ্ধি পেলেও অসাধু মাছ শিকারীদের রিংজালে তা চরমভাবে ব্যাহত হয়ে পড়ে। ফলে বর্ষা মৌসুমের শেষের দিকে যেমন দেখা দিয়েছে মাছের সংকট তেমনি বিপাকে পড়েছেন জেলে পরিবার।
আত্রাই উপজেলা মৎস্যজীবি সমবায় সমিতির সভাপতি ভূষণ চন্দ্র হাওলদার বলেন, নদী ও খাল-বিলে আশংকাজনক হারে রিংজালের ব্যবহার বেড়েছে। আর এ জালে সব ধরণের মাছ নিধন করা সম্ভব। এভাবে মাছ নিধন হতে থাকলে মৎ্যস্যজীবিরা অসহায় হয়ে পরবেন। এ ব্যাপারে উপজেলা মৎস্য সিনিয়র কর্মকর্তা পলাশচন্দ্র দেবনাথ বলেন, বিভিন্ন স্থানে রিংজালের ব্যবহার হচ্ছে। আমরা এগুলোর প্রতিরোধে অভিযানও পরিচালনা করছি। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি অভিযান পরিচালনা করে জাল আটক ও ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা করা হয়েছে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর