বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:০২ অপরাহ্ন

ই-পেপার

লামায় ৪ দিন ব্যাপী ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শুরু 

মোঃ নাজমুল হুদা হুদা,লামাঃ
আপডেট সময়: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুন, ২০২২, ৫:৫০ অপরাহ্ণ

প্রতি বছরের মতো এ বছরও সারাদেশে শুরু হয়েছে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন। বুধবার (১৫ জুন) শুরু হওয়া চারদিনের এ ক্যাম্পেইন চলবে আগামী রোববার (১৯ জুন) পর্যন্ত। শুক্রবার (১৭ জুন) এ কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে জাতীয় পুষ্টি সেবার (এনএনএস) সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শুরু হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান ও জাতীয় পুষ্টি সেবা এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ৬-১১ মাস বয়সী শিশুদের এক লাখ আইইউ মাত্রার একটি নীল ক্যাপসুল এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী শিশুদের দুই লাখ আইইউ মাত্রার একটি লাল ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।
দেশের সব ইপিআই কেন্দ্র এবং স্থায়ী স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চারদিন পরিচালিত হবে এ ক্যাম্পেইন। নির্ধারিত ইপিআই শিডিউল অনুযায়ী প্রত্যেক ওয়ার্ডের (পুরনো) আটটি সাব-ব্লকে সপ্তাহের চার কর্মদিবসে নির্ধারিত ইপিআই কেন্দ্রে পর্যায়ক্রমে স্বাস্থ্য সহকারী, পরিবার কল্যাণ সহকারী ও স্বেচ্ছাসেবী কর্তৃক উদ্দিষ্ট শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।
এছাড়া কমিউনিটি ক্লিনিক ও অন্যান্য সরকারি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। পৌরসভা ও সিটি করপোরেশন এলাকায়ও ইপিআই কেন্দ্রগুলোতে এ কার্যক্রম চলবে।
সারাদেশে মোট ২ কোটি ২০ লাখেরও বেশি শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে এ ক্যাম্পেইন পরিচালিত হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
এদিকে সারাদেশের মতো বান্দরবানের লামা উপজেলাতেও জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শুরু হয়েছে। বুধবার (১৫ জুন) সকালে স্বাস্থ্য বিভাগের আয়োজনে লামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উদ্বোধনী কর্মসূচিতে এ সময় অংশ নেন লামা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ মোস্তফা জামাল, ইউএনও মোঃ মোস্তফা জাবেদ কায়সার,ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ জাহেদ উদ্দীন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডাঃ মাইনুদ্দীন মোর্শেদসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট অন্যান্যরা।
সূত্রে জানায়, জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে, এ বছর লামা উপজেলাতে ৬—১১মাস  বয়সী শিশু ২৭৩০ জন। ১২–৫৯ মাস বয়সী শিশু ১৮১৭৭জন ক্যাপসুল খাওয়ানো হচ্ছে।
শিশুকে খাওয়ানো হবে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল।
মূলত, ভিটামিন ‘এ’ অপুষ্টিজনিত অন্ধত্ব থেকে শিশুদের রক্ষা করে, শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, ডায়রিয়ার ব্যাপ্তিকাল ও জটিলতা কমায়। বাংলাদেশে ভিটামিন ‘এ’ এর অভাবজনিত সমস্যা প্রতিরোধে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে জাতীয় পুষ্টি সেবা, জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান বছরে দুইবার জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন করে থাকে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর