দুই সন্তানের জনক আঃ মোতালেব সে ক্ষুদ্র চা বিক্রেতা।তার বাড়ি ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার মোয়াজ্জেমপুর ইউপির নয়নপুর গ্রামে।
নিজের জমাজমি বলতে কিছু নেই বাড়ির ভিটেতে মাত্র চার শতক জমি। স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে চা দোকানের উপর নির্ভর করে কোনমতে কেটে যাচ্ছিল সংসার।
তারেই দ্বিতীয় পুত্র বায়জিদ (৩) তাকে নিয়ে দরিদ্র পরিবারটি পড়ছে চরম সংকটে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বায়জিদের জন্মের সাত দিনের মাথায় হঠাৎই প্রচন্ড শ্বাসকষ্ট সহ নানান শারিরীক জটিলতা দেখা দেয়।
তখন নান্দাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগাযোগ করলে সেখান থেকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। সেখানে প্রয়োজনীয় পরিক্ষা নিরিক্ষার পর শিশু বায়জিদের হার্টে তিনটি ছিদ্র ধরা পড়ে।
এর থেকে চিকিৎসকের পরামর্শ মতে বিভিন্ন ধরনের চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছেন দরিদ্র মোতালেব। তিন বছরে প্রায় তিন লাখ টাকা বায়জিদের চিকিৎসার জন্য ব্যায় করেছে দরিদ্র চা বিক্রেতা বাবা।এরপরও সুস্থ হয়ে উঠেনি শিশু বায়জিদ। এখনো প্রায়শই শ্বাসকষ্ট সহ নানান শারিরীক জটিলতা দেয় তার।
সর্বশেষ বায়জিদ জাতীয় হার্ট ফাউন্ডেশনের চিকিৎসক ডাঃ নুরুল নাহার ফাতেমার তত্বাবধানে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে তার বাবা আঃ মোতালেব।
আঃ মোতালেব আরও জানায়, অভাব অনটনের সংসারে,আমি আর পেরে উঠছি না। তিন বছরে প্রায় তিন লাখ টাকা খরচা করেছি তাও বিভিন্ন ব্যাক্তির দান অনুদান, দার দেনা করে। ডাঃ সর্বশেষ জানিয়েছেন তার অপারেশন ছাড়া অন্য কোন চিকিৎসায় তাকে পূর্ণ সুস্থ করে তোলা সম্ভব নয়।
তার অপারেশন করতে গেলে আরও অন্তত তিন লাখ টাকার প্রয়োজন। এত টাকা সংগ্রহ করা আমার পক্ষে মোটেও সম্ভবপর হচ্ছে না। ছেলেটি আমার জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। তাই আমি প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, সমাজের বিত্তবানদের কাছে অনুরোধ করছি আমার ছেলের জীবন বাঁচাতে সহযোগিতার হাত বাড়ান।
এবিষয়ে নান্দাইল সমাজসেবা অফিসার মোঃ ইনসান আলী জানান,যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আবেদন করলে কিছুটা হলেও সহযোগিতা করা সম্ভব হবে।
#চলনবিলের আলো / আপন