সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:১৩ অপরাহ্ন

ই-পেপার

শিরোনাম :
শিরোনাম :
নাগরপুর–দেলদুয়ার উপজেলার শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে ডা. আব্দুল হামিদের মানবিক পরিকল্পনা জামায়াত জান্নাতের মালিক নয়, জামায়াতে ইসলাম প্রকৃত ইসলাম নয়: আব্দুস সালাম পিন্টু তাড়াশে ধানের শীষের নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত  আটঘরিয়ায় আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী পাবনা জেলার নির্বাচনী প্রস্তুতিমূলক সমাবেশ  অনুষ্ঠিত  নান্দাইলে ফুলকপি মার্কার নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত চাটমোহরে বিশিষ্ঠ তিন রাজনীতিবিদ রাজা, হীরা ও রুমার মায়ের ইন্তেকাল বেনাপোলে আমদানি পণ্যর ভারতীয় গাড়ি থেকে বিপুল পরিমান চেতনানাশক ট্যাবলেট উদ্ধার গোপালপুরে গণভোট প্রচারণায় আনিকা নার্গিসের হ্যাঁ পক্ষে অব্যাহত তৎপরতা

ব্যক্তিগত অর্থায়নে সড়ক নির্মাণ , চারটি গ্রামে খুশির জোয়ার

রুবিনা আজাদ, আঞ্চলিক প্রতিনিধি বরিশাল:
আপডেট সময়: শনিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২২, ৫:১৬ অপরাহ্ণ

জেলার নদীবেষ্টিত মুলাদী উপজেলার অবহেলিত সফিপুর ইউনিয়নের চারটি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষের চলাচলের জন্য ব্যক্তিগত অর্থায়নে দেড় কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা আবু মুছা হিমু মুন্সীর ব্যক্তিগত অর্থায়নে এ সড়ক নির্মান করা হয়। ইউনিয়নের বেপারীর হাট উত্তরপাড় খেয়াঘাট থেকে চরমালিয়া গ্রামের সোনা মিয়া মেম্বারের বাড়ি পর্যন্ত কাঁচা সড়ক নির্মাণের ফলে চরমালিয়া, কায়েতমারা, চরপদ্মা ও চরভেদুরিয়া গ্রামবাসীর মধ্যে খুশির জোয়ার বইছে।

জানা গেছে, প্রায় ২০ বছর আগে জয়ন্তী নদীর উত্তরপাড়ে বিশাল চর জেগে ওঠে। ধীরে ধীরে ওই চরে বসতি গড়ে উঠেছে। বর্তমানে সেখানে দুই সহস্রাধিক মানুষ বাস করছেন। এছাড়া ওই চরের মধ্যদিয়ে সৃষ্ট পথেই একমাত্র ভরসা কায়েতমারা, চরপদ্মা ও চরভেদুরিয়া গ্রামবাসীর।

চরমালিয়া গ্রামের বাসিন্দা এ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান বলেন, সুবিধাবঞ্চিত এলাকায় কোনো সড়ক না থাকায় সাধারণ মানুষ চরের মধ্যদিয়ে কষ্ট করে চলাচল করতেন। বর্ষা মৌসুমে খেতের মধ্যদিয়ে সৃষ্ট পথে চলাচল করতে না পারায় সবাইকে প্রায় তিন কিলোমিটার ঘুরে সফিপুর নোমরহাট খেয়াঘাট হয়ে বিভিন্নস্থানে যাতায়াত করতে হতো। চারটি গ্রামের মানুষদের সুবিধার্থে ইউপি চেয়ারম্যান আবু মুছা হিমু মুন্সী সড়ক নির্মানের উদ্যোগ গ্রহণ করেন। সরকারী বরাদ্দ না পাওয়ায় এবং সরকারীভাবে সড়ক নির্মাণে ধীরগতির কথা চিন্তা করে তিনি (ইউপি চেয়ারম্যান) ব্যক্তিগত অর্থায়নে সড়ক নির্মাণ শুরু করেন। প্রায় ১৮ লাখ টাকা ব্যয়ে দেড় কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ করা হয়।

গ্রামের বাসিন্দা জানে আলম ঝন্টু তালুকদার বলেন, চরাঞ্চলের কয়েক হাজার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে যাতায়াতে চরম দুর্ভোগের শিকার হয়েছেন। ইউপি চেয়ারম্যান হিমু মুন্সী সড়ক নির্মাণ করে দেয়ায় এখন আর দুর্ভোগ পোহাতে হবেনা।
স্থানীয় বাসিন্দা ও রেল মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব এইচএম রাকিব হায়দার বলেন, সড়ক নির্মাণ হওয়ায় গ্রামে জনবসতি বৃদ্ধির পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা সহজে স্কুল-কলেজে যাতায়াত ও কৃষকরা তাদের পণ্য পরিবহণে গাড়ি ব্যবহার করতে পারবেন।
ইউপি চেয়ারম্যান আবু মুছা হিমু মুন্সী বলেন, মুজিববর্ষে কোন মানুষ কস্টে থাকবেনা। তাই ইউনিয়নের সবচেয়ে নিন্মাঞ্চলের মানুষের চলাচলের জন্য সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে। ভবিষ্যতে সরকারী বরাদ্দ পেলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চারটি গ্রামের বাসিন্দাদের চলাচলের একমাত্র সড়কটি পাকা করার ব্যবস্থা করা হবে। এছাড়াও ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো নির্মানের চেষ্টা চলছে বলেও তিনি (চেয়ারম্যান) উল্লেখ করেন।

 

 

#চলনবিলের আলো / আপন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর