ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী আজ সকালে দেবীকে দুধ, মধু, দই, ঘি, কর্পূর, চন্দন দিয়ে স্নান করানো হবে। এর পর চরণামৃত নেবেন ভক্তরা। এসবের পরে হবে বাণী অর্চনা। পুরোহিতরা ‘সরস্বতী মহাভাগে বিদ্যে কমললোচনে/বিশ্বরূপে বিশালাক্ষী বিদ্যাংদেহী নমোহস্তুতে’ এ মন্ত্রে বিদ্যার দেবী সরস্বতীর আরাধনা করবেন, পূজার আচার পালন করবেন। এর পর ভক্তরা দেবেন পুষ্পাঞ্জলি।
মূলত শিক্ষার্থীরাই নানা আয়োজন, উৎসাহ আর উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে এ পূজা উদ্যাপন করে থাকে। বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঘরে ঘরে সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠিত হয়। টাঙ্গাইলের গোপালপুর সরকারি কলেজ সহ বিভিন্ন এলাকা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পূজার আয়োজন হলেও সরস্বতী পূজার গোপালপুর সরকারি কলেজ মাঠে। বিস্তীর্ণ এ মাঠে সরস্বতী পূজা উপলক্ষে চমৎকার এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
এবার পূজা উপলক্ষে সীমিত কর্মসূচি গ্রহণের করে গোপালপুর সরকারি কলেজে ঘিরে রয়েছ নানা আয়োজন। সরস্বতী পূজা আয়োজক কমিটির প্রভাষক উদয় চন্দ্র পাল বলেন, সকাল ১০টা থেকে সাড়ে ১২ টার মধ্যে অঞ্জলি প্রদানের আয়োজন শুরু হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সরস্বতী পূজা কমিটির আহ্বায়ক, সহকারী অধ্যাপক তুলসী সাহা, প্রভাষক আনন্দ চন্দ্র চন্দ্র, কম্পিউটার শিক্ষক ভজন চন্দ্র চন্দ্র সহ সনাতন ধর্মাবলম্বী অন্যান্য শিক্ষক শিক্ষিকা ও ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ।
#চলনবিলের আলো / আপন