সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:৫৯ পূর্বাহ্ন

ই-পেপার

শিরোনাম :
শিরোনাম :
নাগরপুর–দেলদুয়ার উপজেলার শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে ডা. আব্দুল হামিদের মানবিক পরিকল্পনা জামায়াত জান্নাতের মালিক নয়, জামায়াতে ইসলাম প্রকৃত ইসলাম নয়: আব্দুস সালাম পিন্টু তাড়াশে ধানের শীষের নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত  আটঘরিয়ায় আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী পাবনা জেলার নির্বাচনী প্রস্তুতিমূলক সমাবেশ  অনুষ্ঠিত  নান্দাইলে ফুলকপি মার্কার নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত চাটমোহরে বিশিষ্ঠ তিন রাজনীতিবিদ রাজা, হীরা ও রুমার মায়ের ইন্তেকাল বেনাপোলে আমদানি পণ্যর ভারতীয় গাড়ি থেকে বিপুল পরিমান চেতনানাশক ট্যাবলেট উদ্ধার গোপালপুরে গণভোট প্রচারণায় আনিকা নার্গিসের হ্যাঁ পক্ষে অব্যাহত তৎপরতা

চালু না হওয়ায় ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র থেকে সেবা বঞ্চিত তৃনমুল

রুবিনা আজাদ, আঞ্চলিক প্রতিনিধি, বরিশাল:
আপডেট সময়: শনিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২২, ৪:১০ অপরাহ্ণ

সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে তৃণমুলের নারীদের প্রজনণ স্বাস্থ্য সেবা প্রদানের লক্ষে বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার রাজিহার ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামে ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রটি নির্মাণের ৩ বছর পার হলেও কোন কার্যক্রম পরিচালনা না হওয়ায় স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এলাকাবাসী।
উপজেলা সদর থেকে রাজিহার ইউনিয়নের প্রত্যন্ত বাহাদুরপুর গ্রামে সড়কের পাশে তৈরি করা হয়েছে অত্যাধুনিক এ হাসপাতালটি। নির্মানের পর থেকেই হাসপাতালের মূল গেট থাকে বন্ধ, শুধু একজন প্রহরী কর্মরত রয়েছেন।
জানা গেছে, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান দুটি ভবন নির্মাণ, আসবাবপত্র ও প্রয়োজনীয় সকল যন্ত্রপাতি সরবরাহ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করলেও করেছেন জনবলের অভাবে সকল কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। ফলে চিকিৎসা ব্যবস্থা না থাকায় রোগীরা চরম দুর্ভোগে রয়েছেন।
বাহাদুরপুর গ্রামের বাসিন্দা জগদীশ ভক্ত জানান, হাসপাতালটি নির্মানের পরে চালু না হওয়ায় এলাকার মানুষ কোন চিকিৎসা সেবা পাচ্ছে না। আমাদের জরুরী চিকিৎসা সেবা নিতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যেতে হয়। অনেক সময় পথের মধ্যেই রোগী মারা যায়। এই হাসপাতালের কার্যক্রম চালু থাকলে আমরা জরুরী চিকিৎসা সেবা পেতাম।
রাজিহার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ইলিয়াস তালুকদার বলেন, জনবলের অভাবে হাসপাতালটি চালু করা সম্ভব হচ্ছে না। জনবল বাড়িয়ে হাসপাতালটি চালুর দাবি জানান তিনি।
উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মরত চিকিৎসক ডা. অসীম রঞ্জণ হালদার জানান, ডাক্তার, নার্স, কর্মকর্তা, কর্মচারী বরাদ্দ না থাকায় কার্যক্রম শুরু হয়নি। তবে জনবল বরাদ্দর জন্য আবেদন করা হয়েছে। জনবল বরাদ্দ মাত্রই মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রটির কার্যক্রম শুরু করা হবে।

 

 

#চলনবিলের আলো / আপন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর