কালভার্টের মাঝখানে ভেঙ্গে যাওয়ায় অর্ধবছর ধরে যান চলাচলে সীমাহীন ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে চালক পথযাত্রী ও স্থানীয়দের। নওগাঁর রাণীনগর-আদমদীঘি সড়কের সিলমাদার গ্রাম এলাকার একটি কালভার্ট ভেঙ্গে যাওয়ার প্রায় অর্ধবছরেও সংস্কারের কোন উদ্যোগ নেইনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ফলে বাধ্য হয়ে ওই সড়ক দিয়ে ছোট-বড় দূর্ঘটনার আশংকা নিয়েই যানবাহন চলাচল করছে। রাতে-অন্ধকারে দূর্ঘটনা এড়াতে ভাঙ্গা স্থানে পথচারীরা গাছের ডাল দিয়ে রেখেছে।
ওই সড়ক দিয়ে নিয়মিত চলাচলকারি ট্রাক চালক জামিল আহম্মেদ, সিএনজি চালক আব্দুল জব্বার, অটো-চার্জার ভ্যান চালক জুয়েল হোসেন এবং বাস চালক খোরশেদ আলম জানান, এই রাস্তা দিয়ে বর্তমানে আবাদপুকুর থেকে সরাসরি বগুড়া জেলা শহরে বাস চলাচল করে। এছাড়া আবাদপুকুর-রাণীনগর রাস্তাটি নতুন করে পাকাকরণের জন্য কয়েক বছর ধরে খনন করে ফেলে রাখায় ওই রাস্তা দিয়ে তেমন যান চলা-চল করেনা। ফলে ওই রাস্তার অধিকাংশ যানবাহন আদমদীঘি রাস্তা দিয়ে সরাসরি নওগাঁ জেলা শহরে যাতায়াত করছে। এছাড়া রাণীনগর উপজেলায় ধানের মোকামখ্যাত আবাদপুকুর বাজারের সমস্ত ধান এবং ভারী মালামাল এই রাস্তা দিয়েই বহন করা হচ্ছে। ফলে ভারী যান বাহনের অতিরিক্ত চাপে কালভার্টটি ভেঙ্গে গেছে। গত প্রায় ৬ মাস আগে কালভার্টটি ভেঙ্গে গেলেও সংস্কারের কোন উদ্যোগ নেইনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ফলে যানবাহন গুলো চলাচল করছে ঝুঁকি নিয়ে। যে কোন মহুর্তে কালভার্টটি পুরোটায় ভেঙ্গে পরে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যেতে পারে। তাই দ্রুত কালভার্টটি সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন তারা।
রাণীনগর উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী শাহ মো:শহিদুল হক বলেন, আদমদীঘি-আবাদপুকুর হয়ে আত্রাইয়ের পতিসর পর্যন্ত রাস্তাটি মজবুত, টেকসই এবং প্রসস্ত করণের জন্য বড় একটি প্রকল্পের আওতায় নেয়া হয়েছে। আসা করছি আগামী বছর নাগাদ কাজ শুরু হবে। যে কারণে ছোট কাজগুলোতে হাত দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। তার পরেও পথচারীদের দূর্ভোগ বিবেচনায় দ্রুত কালভার্টটি সংস্কার করার ব্যবস্থা করা হবে।
#চলনবিলের আলো / আপন