ওই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য পদপ্রার্থী শহীদ আলী, হাবিবুর রহমান ও নজরুল ইসলাম লিখিত অভিযোগের মাধ্যমে জানান, এ এম মুজিবুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ইভিএম এর মাধ্যমে সুষ্ঠুভাবে ভোট গ্রহন সম্পন্ন হলেও কেন্দ্রে তাদের এজেন্টেদের সামনে ফলাফলের প্রিন্ট কপি বের করা হয়নি। এজেন্টদের বের করে দিয়ে ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। ভোট গ্রহণ শেষ হলেও, ভোট কেন্দ্রের দরজা বন্ধ করে এক ঘন্টা সময়ের মধ্যে অনিয়ম করেছে। এ সময় এজেন্ট বা প্রার্থীদের কেন্দ্রের কাছে যেতে দেয়া হয়নি। তারা গোপনে অনিয়ম করেছে। তাই, বিক্ষোভকারীরা ওই কেন্দ্রে পুনরায় ভোট গণনার দাবি জানান।
হাদিরা ইউনিয়ন এর ২নং ওয়ার্ডের এ এম মুজিবুল হক উচ্চ বিদ্যালয় প্রিজাইডিং অফিসার, মোঃ রাজু আহমেদ বলেন, সকল প্রার্থীদের এজেন্ট দের উপস্থিতিতে ইভিএম মেশিন এর মাধ্যমে সর্বমোট রেজাল্ট সিট টি বের করা হয়েছে। এবং হাতে লেখা একটি কপি এজেন্ট দের কাছে দেওয়া হয়েছে। আমার কেন্দ্রে কোন প্রকার অনিয়ম বা অসচ্ছল কোন কার্যকলাপ হয়নি। নির্বাচনী সকল আইন মেনে আমি কাজ করেছি।
উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মতিয়ার রহমান জানান, ভোট কেন্দ্রে কোন অনিয়ম হয়নি। ইভিএম ভোটে কারো কারচুপি করার সুযোগ নেই।
গোপালপুর উপজেলা নির্বাহি অফিসার মো. পারভেজ মল্লিক বলেন, আমি এই বিষয়টি শুনেছি এবং অবগত আছি, অভিযোগ পত্রটি তাদের নির্বাচন অফিসে পাঠানো হয়েছে ।
#চলনবিলের আলো / আপন