সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:৪২ পূর্বাহ্ন

ই-পেপার

শিরোনাম :
শিরোনাম :
নাগরপুর–দেলদুয়ার উপজেলার শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে ডা. আব্দুল হামিদের মানবিক পরিকল্পনা জামায়াত জান্নাতের মালিক নয়, জামায়াতে ইসলাম প্রকৃত ইসলাম নয়: আব্দুস সালাম পিন্টু তাড়াশে ধানের শীষের নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত  আটঘরিয়ায় আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী পাবনা জেলার নির্বাচনী প্রস্তুতিমূলক সমাবেশ  অনুষ্ঠিত  নান্দাইলে ফুলকপি মার্কার নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত চাটমোহরে বিশিষ্ঠ তিন রাজনীতিবিদ রাজা, হীরা ও রুমার মায়ের ইন্তেকাল বেনাপোলে আমদানি পণ্যর ভারতীয় গাড়ি থেকে বিপুল পরিমান চেতনানাশক ট্যাবলেট উদ্ধার গোপালপুরে গণভোট প্রচারণায় আনিকা নার্গিসের হ্যাঁ পক্ষে অব্যাহত তৎপরতা

আত্রাইয়ে গো-খাদ্যের সংকট : হিমসিম খাচ্ছে কৃষক

রুহুল আমিন,আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি:
আপডেট সময়: সোমবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০২২, ১০:১৪ অপরাহ্ণ

নওগাঁর আত্রাইয়ে গো-খাদ্যের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে গোবাদি পশু পালন নিয়ে হিমসিম খাচ্ছে কৃষক। এলাকায় গো-খাদ্য হিসেবে ধানের খড়ের সংকট হওয়ায় উচ্চ মূল্য দিয়ে অন্য উপজেলা থেকে আনা হচ্ছে খড়।

জানা যায়, উপজেলার ৮ ইউনিয়নের হাজার হাজার কৃষক গৃহপালিত জন্তু হিসেবে গরু প্রতিপালন করে থাকেন। এ ছাড়াও খামারি হিসেবে গরুর খামার রয়েছে বেশ কয়েকটি। বিশেষ করে কৃষকরা গো-খাদ্য হিসেবে ধানের খড় ও মাঠের ঘাসের উপর নির্ভর করে থাকেন। বর্সা মৌসুমের পর বিভিন্ন মাঠে গো বিচরণ ছিল চোখে পড়ার মত। কিন্তু সম্প্রতি প্রায় সব মাঠই বোরো চাষের জন্য উপযোগী করে তুলতে পানি দিয়ে মাঠের জমি কাদা করা হচ্ছে। অনেক মাঠে বোরো চাষ শুরুও হয়েছে পুরোদমে। ফলে গরু ছাগর মাঠে নিতে পারছেন না কৃষকরা।

এদিকে এ মৌসুমে আমন ধানের খড়ই গো-খাদ্য হিসেবে নির্ভরশীল হয়। গতবার দফায় দফায় অতি বৃষ্টিতে আমন চারা ডুবে যাওয়ায় উপজেলার মাঠগুলোতে তেমন আমন চাষও হয়নি। ফলে এলাকা জুড়ে সৃষ্টি হয়েছে গো-খাদ্যের। আর এ গো-খাদ্যের চাহিদা মেটাতে অন্যান্য এলাকা থেকে উচ্চ মূল্য দিয়ে কিনে আনতে হচ্ছে আমন ধানের খড়। রাণীনগর উপজেলার আবাদপুকুর এলাকার সজিব বলেন, আমরা প্রায় প্রতিদিন ভ্যান যোগে আমন ধানের খড় আমাদের এলাকা থেকে আত্রাইয়ে বিভিন্ন গ্রামে নিয়ে এসে বিক্রি করি। এতে আমাদের লাভও ভাল হয়। উপজেলার কাঁন্দওলমা গ্রামের ওহিদুর রহমান বলেন, আমি গরু প্রতিপালন করতে গিয়ে চরম হিমসিম খাচ্ছি। গো-খাদ্যের দাম অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। এক ভ্যান আমনে খড় ১ হাজার ৮০০ টাকা করে কিনতে হচ্ছে। অথচ আমাদের এলাকায় আমন ধান হলে এ খড় ১ হাজার ২০০ টাকায় পেতাম।

 

 

#চলনবিলের আলো / আপন

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর