রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:৫৫ অপরাহ্ন

ই-পেপার

শিরোনাম :
শিরোনাম :
নাগরপুর–দেলদুয়ার উপজেলার শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে ডা. আব্দুল হামিদের মানবিক পরিকল্পনা জামায়াত জান্নাতের মালিক নয়, জামায়াতে ইসলাম প্রকৃত ইসলাম নয়: আব্দুস সালাম পিন্টু তাড়াশে ধানের শীষের নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত  আটঘরিয়ায় আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী পাবনা জেলার নির্বাচনী প্রস্তুতিমূলক সমাবেশ  অনুষ্ঠিত  নান্দাইলে ফুলকপি মার্কার নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত চাটমোহরে বিশিষ্ঠ তিন রাজনীতিবিদ রাজা, হীরা ও রুমার মায়ের ইন্তেকাল বেনাপোলে আমদানি পণ্যর ভারতীয় গাড়ি থেকে বিপুল পরিমান চেতনানাশক ট্যাবলেট উদ্ধার গোপালপুরে গণভোট প্রচারণায় আনিকা নার্গিসের হ্যাঁ পক্ষে অব্যাহত তৎপরতা

দুই মাসে ধান সংগ্রহ মাত্র ৪ মেট্রিকটন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে দিশা পাচ্ছে না রাণীনগরের খাদ্য অধিদপ্তর

সাইদুজ্জামান সাগর, রাণীনগর (নওগাঁ) প্রতিনিধি:
আপডেট সময়: বৃহস্পতিবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০২২, ১০:৩৮ অপরাহ্ণ
Exif_JPEG_420

নওগাঁর রাণীনগরে চলছে ইরি-বোরো রোপণ মৌসুমের শেষ মূহুর্ত। এরই মধ্যে চলছে উপজেলা খাদ্য দপ্তরের আমন মৌসুমের অভ্যন্তরিন ধান-চাল সংগ্রহ অভিযান। এ অভিযানে গত দুই মাসে ধান সংগ্রহ হয়েছে চার মেট্রিকটন, চাল সংগ্রহ হয়েছে ৮শত মেট্রিকটন। নির্ধারিত সময়ে চাল সংগ্রহের সম্ভবনা থাকলেও সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে স্থানীয় বাজারে ধানের দাম বেশি থাকায় খাদ্য গুদামে ধান দিচ্ছেন না কৃষকরা। ফলে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে দিশা পাচ্ছে না রাণীনগরের খাদ্য অধিদপ্তর!
মিরাট গ্রামের কৃষক হবিবর রহমান, গোনা গ্রামের হাসেম আলী, তালিমপুর গ্রামের উজ্জল হোসেনসহ কৃষকরা জানান, সরকার এক হাজার ৮০ টাকা প্রতিমন ধান ক্রয় করছেন। অথচ মৌসুমের শুরুতেই আমরা স্থানীয় বাজারে প্রতিমন ধান বিক্রি করেছি এক হাজার ১৫০ টাকা থেকে প্রায় ১২শত টাকা মন। ধানের রকম ভেদে এখনো প্রায় এক হাজার ১২০ টাকা মন ধান বিক্রি হচ্ছে। তাহলে আমরা কেন লোকসান করে সরকারি খাদ্য গুদামে ধান বিক্রি করবো? এমনিতে বিগত বছর গুলোতে আমাদের অনেক লোকসান হয়েছে। তবে আমন মৌসুমে ধানের ফলন এবং বাজারে ভাল দাম পাওয়ায় খুশি বলে জানিয়েছেন কৃষকরা।

রাণীনগর উপজেলা খাদ্য গুদাম সুত্রে জানা গেছে, আমন মৌসুমে সরাসরি কৃষকের নিকট থেকে ২৭ টাকা কেজি দরে ৯৬৯ মেট্রিকটন ধান ক্রয়ের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। পহেলা ডিসেম্বর ধান-চাল সংগ্রহ অভিযানের উদ্বোধনের দিনে মাত্র ৪ মেট্রিকটন ধান ক্রয় করা হয়। এর পর গত দুই মাসে আর এক মুঠো ধানও সংগ্রহ করতে পারেনি।
খাদ্যগুদাম কর্মকর্তা হেলাল উদ্দীন বলেন, সরকারি ভাবে ২৭ টাকা কেজি দরে ধান ক্রয় করা হচ্ছে। এর বিপরীতে স্থানীয় বাজারে ধানের দাম বেশি পাওয়ায় কৃষকরা খাদ্য গুদামে ধান দিচ্ছেন না। তবে ৪০ টাকা কেজি দরে এক হাজার ৩৩৬ মেট্রিকটন চাল সংগ্রহের চুক্তিবদ্ধ মিলাররা ইতিমধ্যে প্রায় ৮০০ মেট্রিকটন চাল দিয়েছেন। আগামী ২৮ ফেব্রæয়ারী পর্যন্ত ধান-চাল সংগ্রহ অভিযান অব্যাহত থাকবে। আসা করছি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চালের লক্ষ মাত্রা অর্জিত হবে। তবে ধান সংগ্রহ নিয়ে একটু সংশয় রয়েছি।তার পরেও সার্বিকভাবে চেষ্টা করা হচ্ছে।
রাণীনগর উপজেলা অভ্যন্তরিন ধান-চাল ক্রয় কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুশান্ত কুমার মাহাতো বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চাল সংগ্রহ হবে, তবে ধান সংগ্রহের লক্ষ মাত্রা অর্জনেও আমরা সার্বিক ভাবে চেষ্টা করে যাচ্ছি।

 

 

#চলনবিলের আলো / আপন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর