নওয়াপাড়া প্রেস ক্লাব নির্বাচন-২০২২ এর দায়িত্ব পালনে অনিহা প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশনের তিন সদস্য বিশিষ্ট নির্বাচন কমিশন পদত্যাগ করেছেন।
উল্লেখ্য গত ২৫ নভেম্বর ২০২০ ইং তারিখ নওয়াপাড়া প্রেসক্লাবের বর্তমান নির্বাহী কমিটি নির্বাচনের তফসিল-সহ খসড়া ভোটার তালিকা ঘোষণা করেন, যাহা নওয়াপাড়া প্রেসক্লাবের সংবিধান পরিপন্থি বলে দাবি করছেন সাংবাদিকদের একটি অংশ। তারা বলছেন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে একটি সাধারণ সভার মাধ্যমে পূর্বের কমিটি বিলুপ্ত করে নির্বাচন পরিচালনা কমিশনারের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করতে হয়। কিন্তু নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে গোপনে খাতা-কলমে সাধারণ সভা দেখিয়ে নিজেদের ক্ষমতা পাঁকা করতে তফসিল ঘোষণা করে ৬ জানুয়ারি ২০২২ ইং তারিখে নির্বাচনের দিন ধার্য্য করেছে সংগঠনের নেতৃত্বে থাকা একটি মহল। এবং নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বে থাকা নওয়াপাড়া সরকারি মহাবিদ্যালয়’র অধ্যক্ষ মো. রবিউল হাসান, সুন্দলী এসটিসি কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল লতিফ, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলামকে সদস্য করে তিন সদস্যের একটি নির্বাচন কমিশন গঠন করেন।
৭ ডিসেম্বর সংবিধান বিরোধী কর্মকাণ্ডের বিষয়টি আপত্তি জানিয়ে নির্বাচন কমিশনার বরাবর লিখিত অভিযোগ জমা দেয়, খসড়া ভোটার তালিকাতে নাম বাদ পড়া সাংবাদিকদের এক অংশ। ভোটার তালিকাতে নাম বাদ পড়াদের মধ্যে রয়েছেন, নওয়াপাড়া প্রেসক্লাবের একাধিক বার নির্বাচিত সাবেক সভাপতি জাতীয় দৈনিক সমকাল পত্রিকার অভয়নগর উপজেলা প্রতিনিধি মো.ফারুখ হোসেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক দৈনিক ভোরের কাগজের রফিকুল ইসলাম, সাবেক কোষাধ্যক্ষ দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকার চৈতন্য কুমার পাল, সদস্য দৈনিক ইত্তেফাকের বদরুজ্জামান, দৈনিক জন্ম ভূমির মো.আতিয়ার রহমান শেখ, দৈনিক জনতার কামরুল ইসলাম, দৈনিক খুলনাঞ্চল পত্রিকার মো. রিপানুর ইসলাম প্রমূখ।
গঠনতন্ত্র পরিপন্থী নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা ও প্রকৃত সাংবাদিকদের বাদদিয়ে নির্বাচন সম্পূর্ন হলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না বলেই নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেছে বলে অনেকে ধারনা করছে।
তবে পদত্যাগের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার রবিউল হাসানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের ব্যক্তিগত সমস্যার কারণে নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করতে না পারায় আমরা দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করছি।
#চলনবিলের আলো / আপন