আজ সোমবার সকাল ১০-ঘটিকার সময় আলমডাঙ্গা উপজেলার পাঁচলিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য বিধি মেনে বিদ্যালয়ে প্রবেশ করতে দেখা যায়। এবং মাস্ক পরিধান ও দুরুত্ব বজায় রেখে ক্লাস গ্রহণ চলছে।
প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক জনাব,তৈয়ব আহাম্মেদ বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন কে জানান,
(covid-19)- মহামারী করোনা ভাইরাসের কারণে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় মহাপ্রস্থানে পরিনত হয়েছিলো সরকার ঘোষিত আবার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হয়েছে। বিদ্যালয়ে উপস্থিত হতে পেরে শিক্ষার্থীরা বেশ স্ফুর্তি উদযাপন করছে। এবং স্বাস্থ্য বিধি মেনে শিক্ষার্থীরা ক্লাসে অংশ গ্রহণ করছে। দুরত্ব বজায় রেখেই শিক্ষর্থীদের পাঠদান চলছে।
শিক্ষার্থীরা বলেন,দীর্ঘদিন পর বিদ্যালয়ে আসার পর আমাদের মনে হচ্ছে প্রথম স্কুলে আসার স্মৃতি গুলো এবং সেরকম এক অনুভূতি।
শিক্ষার্থীরা আরো বলেন, করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় আমাদের পড়াশোনা দুর্বল হয়ে পড়েছে । শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ায় বিদ্যালয়ে উপস্থিত হতে পেরে আমরা অনেক অতিশয় পেয়েছি।
আমরা দীর্ঘদিন পর বিদ্যালয়ে আসতে পেরে শিক্ষক মন্ডলীসহ-সহপাঠীদের সঙ্গে দেখা করতে পেরে অনেক উচ্ছ্বাস উপভোগ করছি।
প্রতিষ্ঠানের (সহকারী প্রধান শিক্ষক) জনাব,শহিদুল ইসলাম বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মহামারি করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে জরুরি যে নির্দেশনা দিয়েছেন সরকার। সে বিষয় গুলো আমরা যথাযথ ভাবে পালন করছি। এবং শিক্ষার্থীদের সে নির্দেশ গুলো মেনে চলতে বলা হয়েছে।শিক্ষক শিক্ষার্থীরা স্বাস্থ্য বিধি মেনেই বিদ্যালয়ে প্রবেশ করছেন ও ক্লাস গ্রহণ চলছে।
প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক তৈয়ব আহাম্মেদ বলেন, সরকারের দেওয়া নির্দেশনা অনুযায়ি আমরা করোনা সংক্রমণ রোধে কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে উপস্থিতির সাথে সাথে আমাদের সব শিক্ষক শ্রেণিকক্ষে প্রবেশের পর প্রথমেই শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সম্বন্ধে খোঁজ-খবর নিচ্ছেন।
শিক্ষার্থীরা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলো কিনা এ বিষয়ে খোজ নেওয়া হচ্ছে ।
কোনো শিক্ষার্থীর, জ্বর,সর্দি,ঠান্ডা,কাশি, আছে কিনা সে দিকে লক্ষ রাখা হচ্ছে। এই লক্ষণ গুলো কোনো শিক্ষার্থীর মধ্যো দেখা দিলে তাকে দ্রুত বাড়িতে পাঠানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
শিক্ষার্থীদের পরিবারের কোনো সদস্য করোনা আক্রান্ত হলো কিনা সে বিষয় নিয়েও শিক্ষার্থীদের জিজ্ঞেসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
তিনি আরো বলেন, শিক্ষক শিক্ষার্থীরা স্বাস্থ্য -বিধি মেনে এবং মাস্ক পরিধান করে বিদ্যালয়ে প্রবেশ করছে এবং দুরুত্ব বজায় রেখেই শিক্ষার্থীদের পাঠদান চলছে। কোনো শিক্ষার্থীর করোনা লক্ষণ দেখা দিলে আমরা করোনা টেস্ট করার দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
#চলনবিলের আলো / আপন