বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:০৩ অপরাহ্ন

ই-পেপার

শিরোনাম :
শিরোনাম :
গুরুদাসপুরে লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে সংবাদ সম্মেলন সলঙ্গা বিদ্রোহ দিবসে সলঙ্গাকে উপজেলা করনের দাবি বক্তাদের গোপালপুরে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন মানিকগঞ্জে ‘অনলাইন এন্ড মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স ইউনিটি’র সভাপতি সাইফুল্লাহ, সম্পাদক শাহীন স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সব রাজনৈতিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে: অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম পিন্টু নওগাঁ-৬ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মীকে মারধর ও নির্বাচনী ক্যাম্প ভাঙচুর চৌহালীতে একজন কর্মকর্তা দিয়ে চলছে উপজেলা প্রাইমারি এডুকেশন ট্রেনিং সেন্টার টাঙ্গাইলে বৃদ্ধ দম্পতিকে হত্যা, নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট

সিলেটে লকডাউন ভাঙার প্রতিযোগিতা বাড়াচ্ছে করোনা সংক্রমনের আশংকা

সিলেট প্রতিনিধি:
আপডেট সময়: রবিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২১, ৬:১২ অপরাহ্ণ

সারাদেশের মতো সিলেটেও খুলে দেয়া হয়েছে সব দোকানপাট, শপিংমল এবং সব ধরনের মার্কেট। স্বাস্থ্যবিধি মেনে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত মার্কেট খোলা। কিন্তু মার্কেট খোলার সঙ্গে সঙ্গে সড়কে সড়কে যেন আনঅফিসিয়ালি লকডাউন শেষ হয়েছে। শুরু হয়েছে পূর্বের চিরচেনা সেই যানজট। এ যেন লকডাউন ভাঙার প্রতিযোগিতায় নেমেছেন সবাই।
সিলেটে দোকানপাট ও শপিংমল খোলার সঙ্গে সঙ্গে স্বাভাবিকভাবেই সড়কে যানবাহনের পাশাপাশি বেড়েছে মানুষের উপস্থিতিও। কঠোর বিধিনিষেধের তিনদিন বাকি থাকলেও যেন স্বাভাবিক হতে চলেছে সবকিছুই।
রবিবার (২৫ এপ্রিল) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সিলেট নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে। মেন্দিবাগ পয়েন্ট, সোবহানীঘাট, বন্দরবাজার, তালতলা, রিকাবীবাজার, জিন্দাবাজার, চৌহাট্টা, আম্বরখানা, হুমায়ুন চত্বর এলাকায় ফুটপাত ও অলি-গলিতে মানুষের উপস্থিতিও বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। উপশহরে এক পাশে বাশ দিয়ে ব্যারিকেড দেওযার ফলে অন্যপাশ দিয়ে গাড়ি যাওয়া আসা করছে। এতে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়েছে। সিএনজিচালিত অটোরিকশা, রিকশা ও প্রাইভেটকারের অবাধ চলাচল করছে।
করোনাভাইরাস যুদ্ধে ঘরে থাকার নির্দেশনা মানছেন না অনেকেই। যথাযথভাবে মানা হচ্ছে না সামাজিক দূরত্বও। নিয়ম ভেঙে সিলেটে অধিকাংশ সড়কে ব্যক্তিগত গাড়ি ও অটোরিক্সা (সিএনজি), মোটরসাইকেল, রিকশার হিড়িক পড়েছে।
আইনশৃঙ্খলাবহিনীর সদস্যরা বলছেন, সব দোকানপাট, শপিংমল এবং মার্কেট খোলার কারণে সিলেট নগরীতে যানবাহন ও মানুষের চাপ বেড়েছে। গণপরিবহন চলাচলের অনুমতি না দেয়ায় সিএনজি, মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকারে মার্কেট, কর্মস্থল ও প্রয়োজনীয় কাজে যাচ্ছেন মানুষ। তাই মুভমেন্ট পাস আছে কি না কিংবা জিজ্ঞাসাবাদ করা সম্ভব হচ্ছে না।
উল্লেখ্য-করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে ১৪ এপ্রিল থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত প্রথম দফার কঠোর লকডাউন শেষ হয়। তবে পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় আরও এক সপ্তাহের জন্য কঠোর লকডাউনের সুপারিশ করে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি। ২২ এপ্রিল থেকে শুরু হয়েছে দ্বিতীয় দফার লকডাউন যা শেষ হবে ২৮ এপ্রিল। 

 

#CBALO/আপন ইসলাম


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর