মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ০২:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
অনলাইন ক্যাসিনো: নীরব মহামারিতে ডুবছে যুব সমাজ – সাজিদুর রহমান সুমন কক্সবাজার সদর উপজেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে আলোচনায় গিয়াস উদ্দিন জিকু: সাধারণ মানুষের দাবি তেলের দাম বাড়লে জিনিসপত্রের দাম বাড়বে : পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল  স্বামীর সম্পত্তির অংশ দাবী করায় সমাজচ্যুত : প্রাণনাশের হুমকী আটঘরিয়ায় “ঈদ আনন্দ সবার সাথে, মাদককে না বলুন দক্ষ যুব সমাজ গড়ে তুলুন” জিন্দানী ব্লাড ব্যাংকের ৬ষ্ঠ বর্ষে পদার্পনে রাত্রিকালীন ক্রিকেট টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত বিএনসিসির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও “বিএনসিসি ডে” উদযাপিত রবিউল শুভ’র কণ্ঠে, আমিনুল ইসলাম মিন্টুর কথায় ঈদের গান ‘দুঃখ দিলি বিকল্প পাইয়া’

আটঘরিয়ায় বিভিন্ন হাটবাজারে খাজনা আদায়ের অনিয়ম

প্রতিনিধির নাম:
আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ০২:১৬ অপরাহ্ন

আটঘরিয়া(পাবনা) প্রতিনিধি:
পাবনার আটঘরিয়া উপজেলা বিভিন্ন হাটবাজারে খাজনা টোল উত্তোলন নিয়ে নানাবিধ অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন ক্রেতা ও পাইকারি বিক্রেতারা। করোনাকালে অতিরিক্ত খাজনা ও ভাড়া দিয়ে ব্যবসার ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে হিমশীম খাচ্ছে ব্যবসায়ীরা। একেকজনের কাছ থেকে একেকরকম খাজনা নিচ্ছে ইজাদাররা। কিন্ত দিচ্ছে না কোনা রকম রশিদ। সরকারি নিয়ম না থাকলেও একই হাটবাজারে সাবইজারা দিয়েছেন ইজাদাররা।

সরজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, সরকারি নির্ধারিত খাজনা থেকে কয়েক গুন বেশি টাকা তোলা হচ্ছে খুচরা ও পাইকারি বিক্রেতাদের কাছ থেকে। চাহিদা মত খাজনা না দিলে করছেন অপমান অপদস্ত। পুরো বাজারে খাজনা আদায়ের কোনো তালিকা নেই। মাছ বিক্রেতা আব্দুল বারী নিজের চটে বসেই মাছ বিক্রি করেন। বেচা কেনা শুরুতেই ইজাদারদের লোকজন ১৫০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত খাজনা বাবদ নেই। সে নিয়মিত খাজনা দিচ্ছন। আজ পর্যণÍ কোনো খাজনার রশিদ পাই নাই।

অপর মাছ ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম বলেন, সরকারি নিয়ম থাকলেও আমাদের কাছ থেকে একই রেটে খাজনা নেওয়া থাকলেও একেকজন একেক রকম খাজনা আদায় করেন। কিন্তু খারাপ ব্যবহার ছাড়া আমরা আর কিছু পাই না। আমরা বহুবার মৌখিক ভাবে আবেদন করেও এর কোনো প্রতিকার পাই না।

ব্যবসায়ী আরমান হোসেন বলেন, এসকল হাটে খাজনা আদায়ের কোনো নিয়ম নেই। ব্যবসায়ীদের কোনো সুরক্ষার কোনো নিয়ম নেই। রোদ বৃষ্টি ও খোলা আকাশের নিচে কর্দমাক্ত মাটিতে বসে ব্যবসা করতে হয়। কিন্তু খাজনার কোনো মাফ নেই।

পাইকারি বিক্রেতা শফিকুল ইসলাম বলেন, তারা যা চাই আমরা তা দিতে বাধ্য। না দিলে গলা ধাক্কা দেয়। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন ভূক্তভোগীরা।

 

#CBALO/আপন ইসলাম


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর