দেশে কোন সারের সংকট নেই পরিমিত ভাবে সার ব্যবহার করতে হবে নওয়াপাড়ায় কৃষি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব খোরশেদ আলমের পরিদর্শণ এসে এসব কথা বলেন । জানা গেছে, চলতি ইরি বোরো মৌসুমে কৃষকদের নন ইউরিয়া সার নির্বিগ্নে করতে ২৪ ঘন্টা কাজ করে যাচ্ছে আমদানী কারক প্রতিষ্ঠান গুলো। তার মধ্যে নওয়াপাড়া গ্রæপ অন্যতম। এ প্রতিষ্ঠান অত্যাধুনিক মেশিনের মাধ্যমে সার জাহাজ থেকে খালাস ও প্যাকিং করে ট্রাক যোগে লোড দেওয়া হচ্ছে। প্রতিদিন প্রায় ৫থেকে ৬শ ট্রাকে করে বি সি আই সি ডিলাররা সার উত্তোলন করে স্ব স্ব এলাকায় নিয়ে যাচ্ছে। সার উত্তোলনের ক্ষেত্রে দ্রæত সময়ের মধ্যে সকল প্রকার কাগজ পত্র যাচাই করে আমদানি কারক প্রতিষ্ঠানটি কর্মকর্তা কর্মচারীরা। তারা প্রতিদিন ১৬ঘন্টা কাজ করে যাচ্ছে। বেসরকারি ভাবে নন ইউরিয়া সার ৪০থেকে ৫০ভাগ যশোররের বানিজ্যিক শহর নওয়াপাড়ায় আমদানি করা হয়ে থাকে। এখান থেকে ডিলারের মাধ্যমে নিজ নিজ এলাকার প্রান্তিক চাষিদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয় এ সার। ২৯ জানুয়ারি বুধবার সারের ব্যবস্থাপনা ও সরবরাহ সরেজমিনে দেখতে নওয়াপাড়ায় আসেন কৃষি মন্ত্রানালয়ে যুগ্ম সচিব খোরশেদ আলম। বিভিন্ন আমদানি কারক প্রতিষ্ঠানে গিয়ে সার উত্তোলন করতে আসা বিসিআইসি ডিলারদের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করেন। তিনি কিছু কিছু ক্ষেত্রে ডিলারদের কাগজপত্র অসংগতি দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তবে তিনি নওয়াপাড়া গ্রæপের সার সরবরাহ পদ্ধতি দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন।কৃষি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচীব খোরশেদ আলম বলেন, নওয়াপাড়া একটি আমদানীকারক প্রতিষ্ঠান অত্যাধুনিক মেশিন দিয়ে প্যাকিং ও লোড ও সরবরাহ করায় কৃষকদের কাছে দ্রæত সার পৌঁছে দেয়া সম্ভব হচ্ছে। এদের কাযক্রম দেখে অন্য আমদানীকারকদের একই পদ্ধতি অবলম্বন করা উচিত। এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, দেশে সারের কোন সংকট নেই। পযাপ্ত সার আছে।আমাদের কৃষকেরা সার ব্যবহারের ক্ষেত্রে পরিমিত ভাবে করবে। অপরিমিত ভাবে কোন ভাবে করা যাবে না। এ সারে মধ্যে ২০ শতাং নাইট্রজেন থাকে। না জানার ফলে কৃষকেরা ভুল করে। এসময় উপস্থিত ছিলেন, অভয়নগর উপজেলা সহকারী কমিশনার( ভুমি ) ফারুক হোসেন, কৃষি কর্মকর্তা লাভলী খাতুন।