লামার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নে আনারস প্রতীকের নির্বাচনী অফিসে হামলা, ভাংচুর এবং কর্মীর ওপর হামলা,মারধর করার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় ৩জন আহত হয়েছে। আহতদের লামা সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে দুইজনের অবস্থা আশংকাজনক।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানায়, শনিবার রাত ৭টা ৫০ মিনিটে ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের (২নংওয়ার্ড) লম্বাছনখোলার ওয়ারবিল এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। সেখানে হামলায় আহতরা হলেন, লম্বাছনখোলার ওয়ারবিল এলাকার বদিউল আলমের ছেলে সিরাজুল ইসলাম (১৯), এন্তেজ আহমদের ছেলে আব্দুল মজিদ (৩২) ও নুরুল আজিমের ছেলে মোঃ জুনাইদ (২১)।
হামলায় আহত আনারস প্রতীকের প্রার্থীর সমর্থক মোঃ জুনাইদ বলেন, আমরা রাত ৭টা ৫০ মিনিটে নির্বাচনী অফিসে বসে মাইক বাজাচ্ছিলাম। এসময় সাপেরঘারা থেকে মোটর সাইকেল প্রার্থীর একটা মিছিল আসছিল। মিছিল থেকে কয়েকজন মানুষ এসে মাইক বন্ধ করতে বলেন। কিছু বুঝে উঠার তারা হামলা করে। এর আগে তারা আমাদেরকে প্রচারণা বাধা দিয়ে আসছিল।
৫টি চান্দের গাড়ি ও শতাধিক মোটর সাইকেল ছিল মিছিলে। মিছিলটি হঠাৎ করে এসে মোস্তফা জামাল এর আনারস প্রতীকের নির্বাচনী অফিসে হামলা চালিয়ে সবকিছু ভাংচুর করে ও আমাদের ৩ জনকে আহত করে। ওই মিছিলে মোটর সাইকেল প্রতীকের প্রার্থী জাকের হোসেন মজুমদার ছিলেন।
এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ কুতুবউদ্দিন ও ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল হোছাইন চৌধুরী জানান, মোটরসাইকেল প্রার্থীর কর্মী সমর্থকসহ বহিরাগত কিছু লোক পরিকল্পিতভাবে আনারস মার্কার কর্মীদের উপর হামলা,মারধর ও অফিস ভাংচুর চালায়।
যদিও বিষয়টি অস্বীকার করে মোটর সাইকেল প্রতীকের প্রার্থী জাকের হোসেন মজুমদার বলেন, এ ঘটনা বহিরাগত লোকেরা করেছে। যদি আমরা দোষী হই সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে বের হয়ে আসবে।
এ বিষয়ে লামা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ শামীম শেখ বলেন, এ বিষয়ে আমরা অবগত আছি,সেক্ষেত্রে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।