সমস্ত প্রশংসা মহিয়ান গরিয়ান রাব্বুল আলামীন আল্লাহ তায়ালার জন্য। মহান আল্লাহর একত্ববাদ ও রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর এর নবুওয়াত রিসালাতকে আন্তরিকতার সাথে যিনি বিশ্বাস করেন এবং আল্লাহ তায়ালার হুকুম-আহকাম আরোও পড়ুন...
এল হিজরি নববর্ষ ১৪৪৫ সন। ইসলামের বিভিন্ন বিধিবিধান হিজরি সন আরবি তারিখ ও চান্দ্রমাসের সঙ্গে সম্পর্কিত। ধর্মীয় আচার–অনুষ্ঠান, আনন্দ-উৎসবসহ সব ক্ষেত্রেই মুসলিম উম্মাহ হিজরি সনের ওপর নির্ভরশীল। বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর
হযরত ঈসা (আ.) একটি কবরের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন তিনি দেখলেন আযাবের ফিরিশতারা ঐ মৃত ব্যক্তিকে আযাব দিচ্ছেন। তিনি নিজের কাজ শেষ করে ফেরার পথে আবার ঐ কবরের পাশ দিয়ে
আকাশ যেমন কখনো কখনো ঘনকাল মেঘের আবরণে ঢেকে যায় ঠিক তেমনি মানুষের হৃদয়গুলো ঢেকে যায় পাপ-পঙ্কিলতায়। কিন্তু মেঘ সরে গেলে আকাশ যেমন আবার পরিচ্ছন্ন হয়ে যায় তদ্রূপ অন্তরগুলোও (তওবা,চিকিৎসা যিকির,
পরিবারের মূলভিত্তি হলো বিয়ে। বিয়ের মাধ্যমেই গড়ে উঠে পরিবার, রচিত হয় সভ্যতার ভিত্তিভূমি। তাই পরিবার গঠনে উদ্বুদ্ধ করতে বিয়ের নির্দেশ প্রদান করেছে ইসলাম। মহান আল্লাহ বলেন ‘বিয়ে করবে নারীদের মধ্য
প্রকৃতি আল্লাহর দান, প্রাকৃতিক পরিবেশ সুরক্ষা আমাদের দায়িত্ব। পরিবেশ ও প্রতিবেশের অন্যতম নিয়ামক হলো উদ্ভিদ ও গাছপালা। গাছগাছালি, বৃক্ষতরু ও লতাগুল্ম থেকেই আসে আমাদের জীবনধারণ ও জীবন রক্ষার সব উপকরণ।
ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ পালনের সঙ্গে একটি অনন্য পরীক্ষার ঘটনা বিজড়িত। আজ থেকে প্রায় পাঁচ হাজার বছর পূর্বে মুসলিম জাতির পিতা ইব্রাহিম (আ.)-এর মাধ্যমে এ ধর্মীয় অনুষ্ঠান শুরু হয়।