কক্সবাজার সদর উপজেলার পশ্চিমপাড়া গ্রামে অসহায় পরিবারের বাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে পরিবারের স্বর্ণ গহনা সহ মালামাল পুড়ে ৮ লাখ টাকা মত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করছে ক্ষতিগ্রস্তরা। বসতঘর পুড়ে যাওয়া সবকিছু হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পরিবারের সদস্যরা খোলা আকাশের নিচে দিন কাটাচ্ছেন। গেলে ১৫ ফেব্রুয়ারি দুপুর দুইটার সময় বিদ্যুৎ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা ও ক্ষতিগ্রস্তরা এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এলাকাবাসী ও ক্ষতিগ্রস্তদের ভাষ্যমতে, ঐদিন দুপুরে হঠাৎ করে যখন বসতঘরের বৈদ্যুতিক মিটার থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। আগুন লাগার পর স্থানীয়রা এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করলেও সম্ভব হয়নি। তাছাড়া স্থানীয়রা এগিয়ে না আসলে হইত পার্শ্ববর্তী অনেক বাড়িঘর আগুনে পুড়িয়ে যেত! যেহেতু ঘটনাটা দিন দুপুরে তাই এলাকাবাসী এগিয়ে আসাতে পার্শ্ববর্তী বাড়ি ঘর রক্ষা হয়েছে। এতে পশ্চিমপাড়া মোঃ শফি বাড়ির সবকিছু আগুনে পুড়ে গিয়ে মাথা গুজার জায়গা টুকু হারিয়ে ফেলছে। ত্রিপল নাইনে (৯৯৯) কল করলে ফায়ার সার্ভিস আসার আগে বাড়ির সব অংশ পুড়িয়ে ছাই হয়ে যায়। তথ্য মতে, গ্রামের অপ্রশস্ত রাস্তা দিয়ে ফায়ার সার্ভিস গাড়ি নিয়ে পৌঁছতে দেরি হয়েছে। এ সময় স্থানীয়রা আগুন নেভানোর চেষ্টা করে। তবে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার আগেই সব পুড়ে ছাই হয়ে যায়। বর্তমানে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো প্রতিবেশীদের দেওয়া কাপড়চোপড় পরিধান করে অন্যের বাসায় থেকে দিনাতিপাত করছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের দাবি বিভিন্ন নেতৃবৃন্দরা দেখতে আসলেও কিছুটা হালকা পাতলা সহযোগিতা করলেও বাড়ি তৈরি করে বসবাস করে থাকার মত ব্যবস্থা হইনি।
ক্ষতিগ্রস্ত মোহাম্মদ শফিউল আলম এর স্ত্রী বলেন, অসুস্থ স্বামী নিয়ে আমি চার সন্তান নিয়ে কোনোভাবে ভাত জোগাড় করে খাই। ঘরসহ সব মালামাল পুড়ে গেছে,এক পোশাকে আছি। মানুষের দেওয়া কাপড়চোপড় ব্যবহার করে অন্যের বাসার দিন কাটাচ্ছি। এ বিষয়ে জানতে ভারুয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি আগুনে পুড়ে যাওয়া ঘর বিষয়ে অবগত আছেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সার্বিক সহযোগিতার সার্বিক সহযোগিতার জন্য উপজেলা জানানো হয়েছে হয়তো উপজেলার সহযোগিতা পাইতে পারে। এছাড়া আমি সংরক্ষিত আসনের মহিলা এমপি কানিজ ফাতেমাকে অবগত করেছি, তিনি ঘটনা স্থলে এসে আর্থিকভাবে সহযোগিতা করেছে কিছু অনুদানও দেয়া হয়েছে।