হিমালয় থেকে কাছাকাছি হওয়ায় উত্তরের জেলা গুলোতে শীতের প্রকোপ কিছুটা বেশি থাকে। যার কারণে জনজীবন বিপর্যস্ত হয় এবং এই অঞ্চলের নিম্ন আয়ের মানুষ গুলো কর্মক্ষম হয়ে পরে।
কনকনে হিমেল হাওয়া ও তীব্র শৈত্যপ্রবাহ এই দরিদ্র জনগোষ্ঠী-অধ্যুষিত এ অঞ্চলে বিরূপ প্রভাব ফেলে এবং মানুষের অসহায়ত্বকে প্রকট করে তোলে। তাই শীতার্ত হতদরিদ্র মানুষের প্রতি সমাজের সামর্থ্যবান ও বিত্তশালী ব্যক্তিদের সাহায্য ও সহানুভূতির হাত সম্প্রসারিত করে তাদের পর্যাপ্ত পরিমাণে শীতবস্ত্র বিতরণ করে তাদের পাশে এসে দাঁড়ানো দরকার। নিঃস্বার্থভাবে শীতার্ত মানুষের সাহায্য ও সেবা করাই মানবতার সেবা।
২ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার বিকাল ৩ টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত লালমনিরহাট সদর উপজেলার বড়বাড়ি ও পঞ্চগ্রাম ইউনিয়নের বিভিন্ন জায়গার অসহায় ও সুবিধা বঞ্চিত মানুষের মাঝে প্রতি বছরের ন্যায় শীতবস্ত্র বিতরণ করেন পুলিশ লাইন্স স্কুল এন্ড কলেজ রংপুর এর বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম।
তিনি বলেন, মানুষের হাসি মুখ খানা দেখার চেয়ে অন্য কোথাও আমি সুখ খুঁজে পাই না, আর এ হাসি ফুটাতে খুব বেশি অর্থের ও প্রয়োজন হয় না। সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাড়ানোর ইচ্ছে টা যেন নেশায় পরিণত হয়েছে।
তবে কখনো নেতা বা জনপ্রতিনিধি হওয়ার ইচ্ছে আমার নেই।
সবার দোয়া ও ভালোবাসায় এভাবেই বাকি জীবন টা কাটিয়ে দিতে চাই।
শীতবস্ত্র গ্রহীতা কয়েকজনের অনুভূতি জানতে চাইলে তারা বলেন, ইনি আমাদের এলাকার গর্ব। আমরা সব বিপদে আপদে তাকে কাছে পাই।যদিও তিনি কোনো নেতা বা জনপ্রতিনিধি নন।আমরা তার মঙ্গল কামনা করি।