সাতক্ষীরা তালা উপজেলার সরুলিয়া দিমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয় বর্তমান নির্বাচিত কমিটিকে অবৈধ আখ্যা দিয়ে বিজ্ঞ সহকারী জজ তালা আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। যার নং দেঃ ২৬৫/২২।
মামলা সূত্রে জানা যায়, সরুলিয়া ত্রিমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে গত ইংরেজি ৩০-৮-২০২২ তারিখের নির্বাচনে নির্বাচিত কমিটি অবৈধ। ঐ কমিটি বাতিল এবং পুনরায় পুনরায় সারুলিয়া দ্বিমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয় পুনঃ নির্বাচন ঘোষণা বাবদ তায়দাদ ১৫ হাজার টাকা ও কোট ফি বাবদ টাকাও জমা দেওয়া হয়েছে।
অভিযোগে বর্ণিত ও বিদ্যালয় এলাকাধীন বাদিগণের মধ্যে সুরুলিয়া দিমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয় এর অভিভাবক সদস্য মৃত জাকের আলী সরদারের পুত্র মোঃ মতলেব সরদারের বয়ানে বলেন, আমি স্কুলের একজন ভোটার, যার নং২৪৫,আমি মানোয়ারা খাতুনের অভিভাবক।
সরুলিয়া দ্বিমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয় অত্র এলাকার একটি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বিদ্যালয় পরিচালনার জন্য ৩০-০৮-২০২২ তারিখে একটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে আমি ভোট দিতে পারিনি। শিক্ষা আইনের ধারা মতে আমি একজন ভোটার।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক একটি প্রজ্ঞাপন জারি হয় যাহার স্মারক নং শিম/শাঃ ১১/১৩ (আইডিএ)-৩/২০০৩ অংশ/৬০৮।
উক্ত প্রজ্ঞাপনে ২ নং ধারার উপধারায় স্পষ্ট উল্লেখ আছে যে,কোন শিক্ষার্থীর পিতা-মাতা কেউ জীবিত না থাকলে তাহার তত্ত্বাবধানকারী অন্য কোন ব্যাক্তি অভিভাবক হবেন। অথচ আমরা ভোট দিতে পারলাম না।
প্রতিষ্ঠানে নির্বাচনে নির্বাচিত সদস্য প্রার্থী ইখতিয়ার হোসেন আদৌ কোন শিক্ষার্থীর অভিভাবক নয় অথচ তার ভোটার নং ৭৯ এবং ব্যালট পেপার (পুরুষ)৪।
ইখতিয়ার হোসেন যে ভোটারের ভোটার সেই শিক্ষার্থীর নাম বেলিয়ারা বেগম,অথচ তিনি তার অভিভাবক নয়।
একই ভাবে ভোটার তালিকায় মোসাঃ রাবেয়া সুলতানা পিতা হাফিজুর রহমান দশম শ্রেণীর মানবিক বিভাগে রোল নং ২৬ এর
পিতা ভোটার হতে পারিনি ভোটার তালিকায় নামও আসেনি।
এছাড়ও ৩২১,৩২৬ নং মৃত ব্যক্তিদের নাম ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এসব নানা রকম অনিয়মের মধ্য দিয়ে প্রতরনামূলক ভাবে অসত্য তথ্যে ভরা ভোটার তালিকা করে ৩০,০৮,২০২২ তারিখে নির্বাচন করিয়া যে কমিটি গঠন করা হয়েছে সেই কমিটি সম্পূর্ণ গঠনতন্ত্রের পরিপন্থি।
যার ফলে স্কুলের শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ সৃষ্টি করার লক্ষে প্রশ্নবিদ্ধ। এজন্য অবৈধ নির্বাচনের কমিটি বাতিল করে পুনরায় যথাযথ নিয়মে পুনরায় নির্বাচন দেওয়ার দাবি করছি। এছাড়ও বিদ্যালের আরো কয়েকজন বলেন সম্পতি স্কুলের অবৈধ নিয়োগ বাণিজ্য করার জন্য সভাপতি কল্যান কুমার ঘোষ এর জোকসাজরে ইখতিয়ার নিজেই নিয়োগ প্রার্থী হিসেবে আবেদন করছে ও তাদের অনুগতরা নিয়োগ পাবেন বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন। বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি দেবব্রত মণ্ডল বলেন আমি ওই নির্বাচনে সভাপতি প্রার্থী ছিলাম, কৌশলে নির্বাচনে আমাকে হারিয়ে দেওয়া হয়েছে। এদিকে অবৈধ কমিটি বাতিল করে পুনরায় নির্বাচন দেওয়ার জন্য জেলা শিক্ষা অফিসার ও জেলা প্রশাসক মহাদ্বয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করছি ভুক্তভোগী অভিভাবকগন।