সাতক্ষীরা তালা উপজেলার নগরঘাটায় জমিজমাকে কেন্দ্র করে হাফিজুর রহমানের স্ত্রী রাবেয়া খাতুন কে হত্যার উদ্দেশ্যে মারপিট করে মারাত্মক জখম করেছে প্রতিপক্ষরা।
আহত রাবেয়া খাতুন কে ঘটনাস্হল থেকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রাবেয়া খাতুন জানান, আমাদের বসত বাড়ির পাশে আমি প্রতিদিনের ন্যায় গোবর নড়ি দেই।
নড়ি দেওয়ার সময় চাচাত শশুর মাজেদ বিস্বাস আচমকা এসে আমার উপর শাবল ও বাশ দিয়ে এলোপাতাড়ি মারপিট শুরু করে। হটাৎ আক্রমন্তক হয়ে মারপিট করলে আমি চেঁচামেচি করতে থাকি। এসময় মাজেদ বিশ্বাস ও তার ছেলে মনিরুজ্জামান ও তৌহিদুজ্জামান লিপটন এসে আমাকে উপযুক্ত পরি মারপিট করে। আমার শরীরের ভিভিন্ন অংশের কাপড় চোপড় ছিড়ে ফেলে, শীলতাহানী ঘটায়।
মাজেদ বিশ্বাস আমার চা শশুর হয়েও আমার গায়ে হাত তোলে আমার নাকে মুখে কিল ঘুসি মারে। আমার স্বামী একজন অসহায় আমরা গরিব মানুষ, আমার চাচা শশুর আমাকে এভাবে মারপিট করেছে, আমি তার বিচার চাই। সে যেন আর কখনো কোন মহিলার গায়ে এভাবে হাত না দেই তার বিচার চাই। আমি তাদের সকলের বিচার চাই। আহত রাবেয়া খাতুনের তত্তাবধানে নিয়োজিত চিকিৎসক জানান, পেসেন্টের শরীরের ভিভিন্ন অংশে কালচে, নিলা ফোলা ও রক্ত জমাট বেধেছে, মাথায় প্রচণ্ড আঘাত পেয়েছে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পরে জানা যাবে মাথার ভিতরের অবস্হা। এখন অনেক খারাপ তবে আমরা চিকিৎসা দিচ্ছি, দ্রতই সুস্হ হয়ে উঠবেন।
এদিকে যে জমিটাকে কেন্দ্র করে গৃহবধূ রাবেয়া খাতুনের উপর মারপিট করা হয়েছে সেটা তাদের শরিকের জমি বলে জানা গেছে। তথ্য মতে জানা যায়,
সাতক্ষীরার এডি এম কোটের রায়ে নগরঘাট মৌজার ১৪২৪ নং খতিয়ানের ১৬৭৭ দাগে১২ শতক জমিতে বাস্তবিটা থাকায় সেটা হাফিজুল বিশ্বাস গংদের পক্ষে যায়। অন্যদিকে মাজেদ বিশ্বাস গংদের বাগান কেন্দ্রিক জমি পাবে বলে একটি রায় দেন।
এই রায় মাজেদ বিশ্বাস না মেনে অবৈধ ভাবে গায়ের জোরে গৃহবধূ রাবেয়া কে একা পেয়ে বেধর মারপিট করেন। যার ফলে তাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি হতে হলো। গৃহবধূ রাবেয়াকে এখাবে মারপিট করার তিব্র নিন্দা জানিয়ে মাজেদ বিশ্বাস সহ সকলের যাহাতে শাস্তির আওতায় আনা হয় তার জন্য সাতক্ষীরা জেলা পুুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাবাসী।