শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:৪১ অপরাহ্ন

ই-পেপার

বরিশালে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, বরিশাল :
আপডেট সময়: সোমবার, ৮ নভেম্বর, ২০২১, ৭:১৩ অপরাহ্ণ
smart

জেলার মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার লতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান নেহালের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ইউপি সদস্য তাজুল ইসলাম।
সোমবার দুপুরে বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটিতে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে ওই ইউনিয়নের আরও চারজন ইউপি সদস্য উপস্থিত ছিলেন। কাজীরহাট থানার লতা ইউনিয়ন পরিষদের ৩নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য তাজুল ইসলাম সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলেন, সরকারী নিয়মানুযায়ী জনপ্রতি জন্মনিবন্ধন বাবদ ৫২ টাকা নেয়ার নিয়ম থাকলেও প্রতি জন্মনিবন্ধন থেকে কমপক্ষে পাঁচশ’ থেকে দেড় ও দুই হাজার টাকা পর্যন্ত নেয়া হচ্ছে। এ খাতে এখন পর্যন্ত প্রায় ৫০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান নেহাল।
এছাড়া সরকারী নিয়ম অনুযায়ী ইউনিয়ন পরিষদ থেকে প্রতিমাসে একজন ইউপি সদস্যর সম্মানী ভাতা চার হাজার চারশ’ টাকা দেয়ার কথা থাকলেও সাড়ে চার বছরে মোট ১২ হাজার টাকা করে দেয়া হয়েছে। অথচ জনপ্রতি ইউপি সদস্য ইউনিয়ন পরিষদে মোট ২ লাখ ৩৭ হাজার ছয়শ’ টাকা সম্মানী ভাতা পাওনা রয়েছে। সম্মানী ভাতা পরিশোধ না করে প্রত্যেক বছর বাজেট মিটিংয়ে ভাতার টাকা পরিশোধ দেখানো হয়েছে। সম্মানী ভাতার সব টাকা চেয়ারম্যান আত্মসাত করেছে।
মহামারী করোনার সময় মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় মোট ৪৩৯ মেট্রিক টন চাল ও নগদ ২৪ লাখ ৩০ হাজার টাকা বরাদ্ধ হয়। তা ইউনিয়নে কোথায় কিভাবে বরাদ্দ বা বিতরণ হয়েছে তার কোন হদিস নেই। ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসে গরীবদের মাঝে বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশন জোনাল অফিস বরিশাল ত্রাণ সহায়তা অনেক মানুষই পায়নি। ১০ টাকা মূল্যের ভিজিএফ কার্ড বিতরণে কার্ড প্রতি চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা করে আদায় করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে চেয়ারম্যান।
একইভাবে বয়স্ক, প্রতিবন্ধী, বিধবা ভাতার ক্ষেত্রে প্রতিজনের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে চেয়ারম্যান। এলজি এসপি প্রকল্পেও চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, ৪০ দিনের কর্মসূচির কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে।
সংবাদ সম্মেলনে লতা ইউনিয়ন পরিষদের ১নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ স্বপন, ৫নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আলমগীর কাজী, ৭নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আলী হোসেন বিশ^াস ও সংরক্ষিত ৭,৮ ও ৯নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য হেনা বেগম উপস্থিত ছিলেন।
লতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান নেহাল সকল অভিযোগ অস্বীকার করে মোবাইল ফোনে বলেন, সামনে নির্বাচন। তাই একটি পক্ষ মিলিত হয়ে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা অপপ্রচার শুরু করেছে। কোন অভিযোগের সত্যতা নেই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর