মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:৩৯ অপরাহ্ন

ই-পেপার

শিরোনাম :
শিরোনাম :

ভূঞাপুরে বিদ্যুৎ ভোগান্তিতে অতিষ্ট জনজীবন

মুহাইমিনুল হ্নদয়, ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:
আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ৪:৫৯ অপরাহ্ণ

বিদ্যুতের আসা-যাওয়ায় জনজীবন হাপিয়ে উঠেছে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর শতভাগ বিদ্যুতায়িত উপজেলা। ঘণ্টার পর ঘন্টা লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। সাধারণ মানুষ বিদ্যুতের বিরক্তকর এই আসা-যাওয়াকে ‘মিসকল’ বলে ব্যঙ্গাত্মক করেন। সরকারের শতভাগ বিদ্যুতায়নকে কলঙ্কিত করতেই বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারীরা নানা অজুহাতেই ঘণ্টার পর ঘন্টা বিদ্যুৎ বন্ধ রাখছেন বলে অভিযোগ গ্রাহকদের।

তীব্র তাপদাহের ভেপসা গরমের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ভ‚ঞাপুরবাসীকে ভোগাচ্ছে বিদ্যুৎ-বিভ্রাটে। প্রচুর গরমে সারাদিন বিদ্যুতের আসা-যাওয়া, রাতেও থাকছে না বিদ্যুৎ এতে অনেক বেশি কষ্ট পোহাতে হচ্ছে শিশু ও বৃদ্ধদের। বিদ্যুতের এই আসা-যাওয়ার ফলে নষ্ট হচ্ছে ফ্রিজ, টিভিসহ ইলেক্ট্রিক যন্ত্রাংশ।

গ্রাহকদের অভিযোগ, দিনের বেলা ঘণ্টার পর ঘন্টা লোডশেডিং থাকলেও রাতে একই পরিস্থিতি বিরাজ করে। এতে তীব্র গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে জনজীবন। এছাড়াও খুটি বাণিজ্য, মিটার না দেখেই বিল ধরিয়ে দেয়া। একই সঙ্গে মিটার রিডিং না দেখেই বিল তৈরি নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে। ভ‚ঞাপুর বিদ্যুৎ অফিসের এমন কার্যকলাপ দীর্ঘদিন ধরে চললেও এর কোন প্রতিকার হচ্ছে না।

উপজেলার গোবিন্দাসী এলাকার আব্দুল্লাহ বলেন, কয়েকদিন ধরে অনেক গরম পড়েছে। এর মধ্যে হঠাৎ করেই চলে যায় বিদ্যুৎ দীর্ঘ সময় পাড় হলেও বিদ্যুতের দেখা মিলে না। বিদ্যুৎ অফিসে ফোন দিলেও আবার কেউ ফোন ধরে না। বিদ্যুৎ না থাকায় রাতে ঘুমাতে পারিনা। অথচ মিটারের রিডিংয়ের চেয়েও বেশি বিল করে।

পৌর এলাকার ব্যবসায়ীরা জানান, বিদ্যুৎ-বিভ্রাটের কারণে ঠিকমতো ব্যবসা করতে পারি না। বিদ্যুৎ চলে গেলেই দোকান অন্ধকার। ক্রেতারা গরমে ও অন্ধকারের কারণে দোকানে মাল ক্রয় করতে আসতে পারে না।

এ বিষয়ে ভ‚ঞাপুর বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মেহেদী হাসান ভূইয়া বলেন, টাঙ্গাইল গ্রিড থেকেই লোডশেডিং হচ্ছে। অনেক ছোটখাটো কাজ থাকলে বিদ্যুৎ বন্ধ রাখতে হয়।

 

 

#চলনবিলের আলো / আপন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর