মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:৪০ পূর্বাহ্ন

ই-পেপার

নীলফামারীতে প্রকৌশলীকে হেনস্থা করতে মিথ্যা অভিযোগ 

এস.কে হিমেল,ডোমার(নীলফামারী) প্রতিনিধি:
আপডেট সময়: শনিবার, ২৮ আগস্ট, ২০২১, ৬:১১ অপরাহ্ণ

নীলফামারী শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের একজন প্রকৌশলীকে হেনস্থা করতে একটি মহল নানা দপ্তরে মিথ্যা অভিযোগ দিচ্ছে বলে জানা গেছে।পদন্নতি ঠেকাতে এটি একটি কুচক্রি মহলের অপপ্রয়াস বলছেন ভুক্তভোগী প্রকৌশলী।সরেজমিনে জানাগেছে, বিভিন্ন মিথ্যা অভিযোগ তুলে ভুয়া নাম ঠিকানা ব্যাবহার করে নীলফামারী জেলাধীন শিক্ষা প্রকৌশল দপ্তরের প্রকৌশলী আবুতাহেরের বিরুদ্ধে তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মেনহাজুল হক রংপুর সার্কেল রংপুর বরাবরে অভিযোগ পত্র প্রেরণ করে একটি মহল। সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতে তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী রংপুর সার্কেল রংপুর মেনহাজুল হকু অভিযোগের স্থানগুলো পরিদর্শন করেন । পরে নীলফামারীর নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম শাহিনুর ইসলামের উপস্থিতিতে তার
অফিসসে শুনানী গ্রহন করেন। এসময় সেখানে আবুতাহের সহ স্থানীয় ঠিকাদারগণ উপস্থিত ছিলেন। সহ-প্রকৌশলী আবু তাহেরের বিরুদ্ধে অভিযোগকারী হিসাবে মাহাতাব আলী ও তার যে ঠিকানা ব্যাবহার করা হয়েছে এর কোন অস্তিত্ব খূজে পায়নি বলে ওই দপ্তরে উপস্থিত ঠিকাদারগণ প্রতিনিধিকে জানিয়েছেন।এবং সেখানে যে মুঠোফোন নম্বর দেয়া আছে তাতে যোগাযোগ করা হলে দেখায় সেটি মহছেনা এন্টারপ্রাইজের সত্বাধীকারী মাহাবুল আলমের। তিনি নীলফামারীর ঠিকাদার। তাকে অভিযোগ পত্রের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি তা লিখিত ভাবে প্রত্যাক্ষান করেন। এবিষয়ে প্রকৌশলী আবু তাহের বলেন, একটি কুচক্রি মহল আমার ভাব মূতি ক্ষুন্ন ও পদন্নতি ঠেকাতেএমন হীন কাজ করছে। সেখানে উপস্থিত ঠিকাদারগন অভিযোগের বিষয়টি প্রত্যাক্ষান করেন এবং দক্ষ সৎ ব্যাক্তি
হিসাবে পরিচিত প্রকৌশলী আবু তাহেরের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীদের খুজে বের করে শাস্তি দাবী করেন।
এবিষয়ে মেসার্স ফাহিম এন্ড হুমা ট্রেডার্স এর সত্বাধিকারী মো:
আবুল কালাম আজাদ বলেন। আমার এই ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের তালিকাভূক্তির পর থেকে সরকারের প্রকুরমেন্ট এ্যক্ট এর সকল নিয়ম মেনে ঠিকাদারী কাজ দীর্ঘদিন থেকে সুনামের সাথে করে আসছি। একটি কুচক্রীমহল আমাদের কাজের সুনাম নষ্টকরতে আমার ভ্রাতা প্রকৌশলী আবু তাহেরের নিকট অনৈতিক সুবিধা হাসিলের চেষ্টায় ব্যার্থ হয়ে কথিত অভিযোগ তৈরী করে বিভিন্ন দপ্তরে সরবরাহ করে।সুখের বিষয় কোন তদন্ত কর্মকর্তাই অদ্যবদি ওই সকল সৃজিত অভিযোগের সত্যতা পায় নাই ।এমনকি অভিযোগ পত্রে উল্লেখিত নাম ঠিকানার কোন ব্যাক্তির হদিস পায় নাই।সেখানে যে মুঠোফোন নম্বরটি ব্যাবহার করা হয়েছে তা অন্য ব্যাক্তির। এতেই বোঝা যায় এটি  ষড়যন্ত্র। এ বিষয়ে তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী রংপুর সার্কেল রংপুর মেনহাজুল হক ও নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম শাহিনুর ইসলামকে জিজ্ঞাসা করা হলে তারা বলেন,অভিযোগকারীকে পাওয়া যায় নাই,উল্লেখিত অভিযোগের কোন সত্যতা পাওয়া যায় নাই। 

 

#চলনবিলের আলো / আপন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর