মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:০৩ পূর্বাহ্ন

ই-পেপার

বরিশাল নগরী এখন ময়লার ভাগাড়

রুবিনা আজাদ, আঞ্চলিক প্রতিনিধি, বরিশাল:
আপডেট সময়: শনিবার, ২১ আগস্ট, ২০২১, ১১:০০ অপরাহ্ণ

সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরে বুধবার রাতের সংঘর্ষের পর থেকে নগরীর ময়লা আবর্জনা অপসারণ বন্ধ করে দিয়েছেন বিসিসি’র পরিচ্ছন্নকর্মীরা। ফলে গত দুইদিনে পুরো নগরী এখন ময়লার ভাগাড়ে পরিনত হয়েছে।
নগরীর বাসিন্দারা জানান, সাধারণত রাতের মধ্যেই নগরীর সব ময়লা আবর্জনা পরিস্কার করেন সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নকর্মীরা। গত দুইদিন ধরে নগরীর প্রতিটি সড়কে স্তুপাকারে ময়লা-আবর্জনা পরে রয়েছে। সড়কের যেখানে সেখানে আবর্জনা অপসারণ বন্ধের বিষয়ে কথা বলেনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কেউ।
নগরীর নথ্ল্লুাবাদ এলাকার বাসিন্দা আমির হোসেন বলেন, গত দুইদিন ধরে রাস্তায় রাস্তায় ময়লা আবর্জনা ফেলা রয়েছে। আগে রাতের মধ্যেই সব পরিস্কার হয়ে যেতো। ইউএনও’র সাথে ঝামেলার পর সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নকর্মীরা আবর্জনা সরাচ্ছেন না।
সিএনজি চালক ফরিদ সরদার বলেন, কাশিপুর থেকে আমতলার মোড় পর্যন্ত ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের পাশেও ময়লা জমে রয়েছে। বিএম কলেজ রোড এলাকার বাসিন্দা সেলিম মিয়া বলেন, কলেজের সামনের প্রফেসর গলির মুখে গত দুইদিন থেকে ময়লা-আবর্জনার স্তুপ জমে রয়েছে। দুর্গন্ধে সড়ক দিয়ে হাটা চলা কষ্টকর হয়ে পরেছে। এমনকি বাসা-বাড়ি থেকেও ময়লা আবর্জনা সংগ্রহের কাজও বন্ধ রেখেছেন পরিচ্ছন্নকর্মীরা।
নগরীর ভাটিখানা এলাকার জয়নুল আবেদীন বলেন, প্রতিদিন পরিচ্ছন্নকর্মীরা বাসায় এসে ময়লা নিয়ে যেতো, গত দুইদিন থেকে তা বন্ধ। দুইদিন পর বাধ্য হয়ে রাস্তায় ময়লা ফেলেছি। রাস্তায় ময়লা ফেলতে এসে আরও খারাপ পরিস্থিতি দেখেছি।
বটতলা মসজিদ এলাকার বাসিন্দা শাহানাহ পারভীন রুবি বলেন, ভাড়া বাসার পাঁচ তলায় থাকি। কর্পোরেশনের লোকজন আগে বাসায় এসে ময়লা নিয়ে যেতো। কিন্তু এখন ময়লা না নেয়ায় ঝামেলায় পরেছি। শুনেছি ইউএনও এবং পুলিশের মামলায় কর্পোরেশনের কর্মকর্তাদের আসামি করায় পরিচ্ছন্নকর্মীরা কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন। এতে আমরা চরম ভোগান্তিতে পরেছি। রাস্তায় বের হলেও দুর্গন্ধে টেকা দায় হয়ে পরেছে।
টিকা কেন্দ্র থেকে চলে গেছেন স্বেচ্ছাসেবক \ এদিকে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এলাকার ২৪টি টিকা কেন্দ্র থেকে গত বৃহস্পতিবারই চলে গেছেন স্বেচ্ছাসেবকরা। এতে চরম ভোগান্তিতে পরেছেন টিকা গ্রহীতারা। এ বিষয়ে কথা বলতে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ ফারুক হোসেন ও প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা রবিউল ইসলামের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্ঠা করা হলেও তারা ফোন রিসিভ না করায় কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

 

#চলনবিলের আলো / আপন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর