জাতীয় শোক দিবসকে সামনে রেখে বরিশাল নগরীসহ জেলার প্রতিটি উপজেলার বিভিন্নস্থানে শোভা পাচ্ছে হাজার হাজার পোস্টার, ব্যানার, ফেস্টুন, বিলবোর্ড ও বিশালাকৃতির শোকের তোরন।
হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ ১৫ আগস্ট ঘাতকের নির্মম বুলেটে নিহত সকল শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করতে ¶মতাসীন দল আওয়ামী লীগ ও তার সকল সহযোগি সংগঠন এবং প্রতিটি সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে পোষ্টার, ব্যানার, বিলবোর্ড ও তোরন নির্মান করা হয়েছে।
শোকের মাস আগস্টের শুরুতেই বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের জেলার মধ্যকার প্রতিটি বাসষ্ট্যান্ডে স্বস্ব এলাকার দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্যোগে নির্মান করা হয়েছে বিশালাকৃতির তোরন। সবমিলিয়ে বরিশাল এখন শোকের নগরী ও জেলায় পরিনত হয়েছে।
এরমধ্যে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রবেশ ফটকে লাল কালো রঙের ব্যবহারে টানানো হয়েছে শহীদদের চিত্র। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিশালাকৃতির ছবির পাশে রয়েছে সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর দাদা শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাতের ছবি। এরপর একে একে সকল শহীদদের মুখায়ব।
জেলা পরিষদের প্রবেশ পথে নির্মান করা হয়েছে শোকের তোরন। প্রতিটি তোরনে রয়েছে সকল শহীদদের মুখায়ব। নগরীর নাজিরের পোল এলাকায় প্রতিবছরের ন্যায় এবারও নগরীর ৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর এ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম খোকনের উদ্যোগে নানা শৈল্পিক কারুকাজে বঙ্গবন্ধুর ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কের বাড়িটির অবয়ব ফুঁটিয়ে তোলা হয়েছে।
এছাড়াও নগরীর গুরুত্বপূর্ন সড়কে দলীয় নেতৃবৃন্দের উদ্যোগে অসংখ্য তোরন নির্মান করা হয়েছে। কালো রঙের এসব তোরন, ব্যানার ও ফেস্টুনে রক্তের লাল রঙ দিয়ে নানা আবেগী লেখা দিয়ে শোক প্রকাশ করা হয়েছে। জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সাংসদ এ্যাডভোকেট তালুকদার মোঃ ইউনুস বলেন, নগরীসহ গোটা জেলাজুড়ে টানানো ১৫ আগস্টের ব্যানার, পোষ্টার, ফেস্টুন ও নির্মিত তোরনের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের কাছে নৃশংস ও ভয়ঙ্কর দিনটির কথা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করিয়ে দেয়া হচ্ছে।
#চলনবিলের আলো / আপন