আকাশ কুমার। মানুষ হচ্ছেন একটি অনাথ আশ্রমে।বাড়ী সাদুল্যাপুর উপজেলার খোর্দ্দ কোমরপুর ইউনিয়নের তালুক হরিদাস গ্রামে। বাবা অভয় কুমার পেশায় একজন কাঠ মিস্ত্রি। দুই ভাইয়ের মধ্যে আকাশ বড়। খোর্দ্দ কোমরপুর হাইস্কুল হতে এসএসসি ও পলাশবাড়ী সরকারি কলেজ থেকে এইচ এস সি পাশ করেন আকাশ।
সেবক হিসেবে কাজ করেন পলাশবাড়ী পৌর শহরের শ্রী শ্রী রাধা গৌড়ীয় মঠ নামে একটি অনাথ আশ্রমে। টাকার অভাবে ডিগ্রি/স্নাতক ভর্তির অনলাইন পর্যন্ত করতে পারেনি। ফলে ব্যাহত হচ্ছিল তার উচ্চতর ডিগ্রী গ্রহনে লেখাপড়া। স্থানীয় সাংবাদিকরা বিষয়টি জানতে পেয়ে পলাশবাড়ী থানার ইন্সপেক্টর তদন্ত মতিউর রহমানকে অবগত করলে আকাশকে সহায়তা প্রদান করবেন বলে তিনি জানান।
পুলিশের এ কর্মকর্তা বলেন, জাতির মেরুদন্ড গঠনের প্রধান হাতিয়ার হচ্ছে শিক্ষা ৷ হয়ত সমাজে এমন অসংখ্য মেধা আজ আমাদের অজান্তেই টাকার অভাবে উচ্চ শিক্ষার অন্তরায় হতে বাধাগ্রস্থ হচ্ছে ৷ যখন শুনলাম একজন গরীব অসহায় শিক্ষার্থী ভবিষ্যৎ গঠনের প্রথম ভর্তি পরীক্ষা অংশগ্রহনেই ঝড়ে যাচ্ছে বিষয়টি আমার বিবেককে ভীষন নাড়া দেয় ৷
এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার রাতে পলাশবাড়ী থানা ভবনে আকাশ কুমারকে শিক্ষা সহায়তায় নগদ অর্থ দিয়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন মানবিক এই পুলিশ কর্মকর্তা ওসি (তদন্ত) মতিউর রহমান।
#চলনবিলের আলো / আপন